দিল্লিতে পাঁচতলা ভবন ধস, নিহত অন্তত ৯
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা জানতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (৩০ মে) দিল্লির মেহরৌলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভবন ধসের পর মুহূর্তেই পুরো এলাকা ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরোনো ভবনটি হঠাৎ করেই ধসে পড়ে। ধসে পড়া ভবনের একটি অংশ পাশের একটি স্থাপনার ওপর গিয়ে পড়ে, যেখানে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের খাবারঘর ছিল। এতে সেখানে অবস্থানরত কয়েকজনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে মেহরৌলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। পরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দমকল বিভাগ ও দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকারীরা এখনও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। এ কারণে সময়ের স
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা জানতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) দিল্লির মেহরৌলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভবন ধসের পর মুহূর্তেই পুরো এলাকা ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরোনো ভবনটি হঠাৎ করেই ধসে পড়ে। ধসে পড়া ভবনের একটি অংশ পাশের একটি স্থাপনার ওপর গিয়ে পড়ে, যেখানে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের খাবারঘর ছিল। এতে সেখানে অবস্থানরত কয়েকজনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।
খবর পেয়ে মেহরৌলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। পরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, দমকল বিভাগ ও দিল্লি পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
উদ্ধারকারীরা এখনও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রশাসনের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। এ কারণে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
এক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনের দাবি, পুলিশ পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন এবং অন্তত তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নির্মিত হলেও প্রশাসন আগে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
What's Your Reaction?