দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, দিল্লিতে আয়োজিত এক সমাবেশে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দেন। সরকারের মতে, এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের ডাক দেন এবং নির্বাচনকে ব্যাহত করতে সহিংসতার আহ্বান জানান। এ ঘটনায় সরকার ও জনগণ গভীরভাবে বিস্মিত ও মর্মাহত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ভারত এখনো এ বিষয়ে কোনো

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, দিল্লিতে আয়োজিত এক সমাবেশে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দেন।

সরকারের মতে, এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের ডাক দেন এবং নির্বাচনকে ব্যাহত করতে সহিংসতার আহ্বান জানান। এ ঘটনায় সরকার ও জনগণ গভীরভাবে বিস্মিত ও মর্মাহত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ভারত এখনো এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং ভারতের ভূখণ্ডে তাকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের স্বীকৃত নীতি ও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এই ঘটনা সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি এবং পারস্পরিক সম্মানের চরম লঙ্ঘন। এর ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ছিল সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow