দিল্লির বিক্ষোভের মধ্যেই ত্রিপুরায় পুলিশ মহাপরিদর্শকের রহস্যজনক মৃত্যু
আগরতলায় রাজ্য পুলিশ সদর দপ্তরে ত্রিপুরার পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) অনুরাগ ধানকরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের বাথরুমে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের মতে, পুলিশ সদর দপ্তরে তার অফিস কক্ষের সঙ্গে সংযুক্ত বাথরুম থেকে জ্যেষ্ঠ এই আইপিএস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও গোবিন্দ বল্লভ পন্ত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. প্রদীপ ভৌমিক জানান, হাসপাতালে আনার সময় অনুরাগ ধানকরের হৃদস্পন্দনের কোনো লক্ষণ ছিল না। তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এদিকে, ত্রিপুরা সরকার ও রাজ্য পুলিশ এখনো তার মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। ১৯৯৪ ব্যাচের আইপিএস কর্মকর্তা অনুরাগ ধানকর ২০২৫ সালের ১৭ মে ত্রিপুরার ডিজিপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি রাজ্যে
আগরতলায় রাজ্য পুলিশ সদর দপ্তরে ত্রিপুরার পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) অনুরাগ ধানকরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের বাথরুমে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের মতে, পুলিশ সদর দপ্তরে তার অফিস কক্ষের সঙ্গে সংযুক্ত বাথরুম থেকে জ্যেষ্ঠ এই আইপিএস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও গোবিন্দ বল্লভ পন্ত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. প্রদীপ ভৌমিক জানান, হাসপাতালে আনার সময় অনুরাগ ধানকরের হৃদস্পন্দনের কোনো লক্ষণ ছিল না।
তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, ত্রিপুরা সরকার ও রাজ্য পুলিশ এখনো তার মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
১৯৯৪ ব্যাচের আইপিএস কর্মকর্তা অনুরাগ ধানকর ২০২৫ সালের ১৭ মে ত্রিপুরার ডিজিপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি রাজ্যের ডিজিপি (ইন্টেলিজেন্স) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এডিজিপি) এবং এডিজিপি (আইন-শৃঙ্খলা) পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি পুলিশ মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস এবং প্রেসিডেন্টস পুলিশ মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস-এ ভূষিত হন।
ত্রিপুরায় তিনি লংথারাই ভ্যালির সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও), অবিভক্ত পশ্চিম ও দক্ষিণ ত্রিপুরার পুলিশ সুপার (এসপি), স্পেশাল ব্রাঞ্চের এসপি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল (হেডকোয়ার্টার্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজ্যের বাইরে তিনি ২০০৩-০৪ সালে কসোভোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই), ব্যুরো অব পুলিশ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিপিআরঅ্যান্ডডি) এবং সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ)-এ কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনেও কাজ করেন।
তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গা তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি)-এর প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হবে না।
সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান
কেএম
What's Your Reaction?