দিল্লির বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাকে সেখানে আটক রাখা হয়নি। বরং একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে আন্তরিকভাবে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) তথ্য অধিদফতরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। দিল্লিতে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাকে শুধু একটি জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো রুমে আটকে রাখা হয়েছে—এ ধরনের দাবি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন। ভারতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করা উচিত কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধান হবে। তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে যে প্রটোকল পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত

দিল্লির বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, তাকে সেখানে আটক রাখা হয়নি। বরং একটি স্থানে বসতে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে তাকে আন্তরিকভাবে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) তথ্য অধিদফতরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দিল্লিতে হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাকে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাকে শুধু একটি জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো রুমে আটকে রাখা হয়েছে—এ ধরনের দাবি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

ভারতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করা উচিত কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে যে প্রটোকল পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং পুরো প্রতিনিধি দল প্রত্যাহার না করার কথাও উল্লেখ করেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যেতে আগ্রহী।

এর আগে তিনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ হাইকমিশন ১২ জুন দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানায়। তবে ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং দেশে প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানায়নি।

এ অবস্থায় তিনি নিজেই পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পরিস্থিতি অনুকূল না দেখে তিনি কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow