দীঘিনালায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে আটকে পরাদের উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় হঠাৎ নেমে আসা বৈরী আবহাওয়ায় যখন চারপাশে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা, ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে দীঘিনালা জোনের আওতাধীন ভৈরবা অটল টিলা এলাকায় পাহাড়ি সড়ক খানাখন্দ এবং সড়কের কংক্রিটে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সড়কটি পরিণত হয় এক বিপজ্জনক ফাঁদে। যানবাহন আটকে যায়, এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেরি না করে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দীঘিনালা জোনের সেনাসদস্যরা। ঝুঁকিপূর্ণ কাদা ও পিচ্ছিল সড়ক উপেক্ষা করে তারা নিজেরা ঝরে ভিজে ভিজে একে একে আটকে পড়া যানবাহন সরিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, বিপদগ্রস্ত সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়ে তাদের মাঝে ফিরিয়ে আনেন স্বস্তি ও সাহস। সেনাসদস্যদের এই মানবিক উদ্যোগে মুহূর্তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। স্থানীয়দের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, 'সেনাবাহিনী না এলে আমরা কী করতাম, বুঝতেই পারছিলাম না। তারা আমাদের জন্য আশির্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।' দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে আবারও প্রমাণ হলো—শুধু নিরাপত্তা রক্ষাই নয়, মানুষের ব

দীঘিনালায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে আটকে পরাদের উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় হঠাৎ নেমে আসা বৈরী আবহাওয়ায় যখন চারপাশে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা, ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে দীঘিনালা জোনের আওতাধীন ভৈরবা অটল টিলা এলাকায় পাহাড়ি সড়ক খানাখন্দ এবং সড়কের কংক্রিটে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সড়কটি পরিণত হয় এক বিপজ্জনক ফাঁদে। যানবাহন আটকে যায়, এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেরি না করে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দীঘিনালা জোনের সেনাসদস্যরা। ঝুঁকিপূর্ণ কাদা ও পিচ্ছিল সড়ক উপেক্ষা করে তারা নিজেরা ঝরে ভিজে ভিজে একে একে আটকে পড়া যানবাহন সরিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, বিপদগ্রস্ত সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়ে তাদের মাঝে ফিরিয়ে আনেন স্বস্তি ও সাহস।

সেনাসদস্যদের এই মানবিক উদ্যোগে মুহূর্তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। স্থানীয়দের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, 'সেনাবাহিনী না এলে আমরা কী করতাম, বুঝতেই পারছিলাম না। তারা আমাদের জন্য আশির্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।'

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে আবারও প্রমাণ হলো—শুধু নিরাপত্তা রক্ষাই নয়, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম বড় দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। তাদের এই সাহসিকতা, পেশাদারিত্ব এবং মানবিকতা এলাকাবাসীর হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখে গেছে। জোন কমান্ডারের বক্তব্য:

দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয় 'দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার। আজকের এই কার্যক্রম তারই একটি ছোট উদাহরণ। ভবিষ্যতেও আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবো, ইনশাআল্লাহ।'।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow