দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর তৎপরতায় ভেস্তে গেলো অপহরণ নাটক

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অপহরণের সাজানো নাটক ভেস্তে দিয়ে এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং এলাকা থেকে ওই কলেজছাত্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তাবাহিনী জানায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে মো. মুরাদ হোসেন (১৯) কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে তিনি পরিবারের কাছে ফোন করে নিজেকে অপহৃত দাবি করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন এর নির্দেশনায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়। একই সঙ্গে দীঘিনালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়। দীঘিনালা জোনের গোয়েন্দা তথ্য ও নিবিড় অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং এলাকা থেকে ওই কলেজছাত্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর তৎপরতায় ভেস্তে গেলো অপহরণ নাটক

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অপহরণের সাজানো নাটক ভেস্তে দিয়ে এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং এলাকা থেকে ওই কলেজছাত্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

নিরাপত্তাবাহিনী জানায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে মো. মুরাদ হোসেন (১৯) কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে তিনি পরিবারের কাছে ফোন করে নিজেকে অপহৃত দাবি করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন এর নির্দেশনায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়। একই সঙ্গে দীঘিনালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়।

দীঘিনালা জোনের গোয়েন্দা তথ্য ও নিবিড় অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং এলাকা থেকে ওই কলেজছাত্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, মোটরসাইকেল ও একটি আইফোন কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই তিনি পরিকল্পিতভাবে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।

উদ্ধারকৃত কলেজছাত্র মো. মুরাদ হোসেন (১৯), পিতা মো. মিলন মিয়া। তিনি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক এলাকার বাঘাইহাট গ্রামের বাসিন্দা।

দীঘিনালা জোনের দ্রুত ও সফল অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow