দুই আসনের ব্যালটে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার অনুরোধ
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর জন্য ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার অনুরোধ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত ২৩ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদের ২০০ নম্বর আসন (নরসিংদী-২) ও ২৮৫ নম্বর আসন (চট্টগ্রাম-৮)–এ জামায়াতের পক্ষ থেকে যথাক্রমে মো. আমজাদ হোসাইন এবং মো. আবু নাসেরকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে আসন দুটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে নরসিংদী-২ আসনটি এনসিপির মনোনীত প্রার্থী গোলাম সরোয়ারকে এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনটি মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় দলটির মনোনীত দুই প্রার্থী যথাসময়ে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। এ অবস্থায় ব্যালট পেপারে জামায়াতের প্রতীক ‘দা
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর জন্য ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার অনুরোধ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত ২৩ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদের ২০০ নম্বর আসন (নরসিংদী-২) ও ২৮৫ নম্বর আসন (চট্টগ্রাম-৮)–এ জামায়াতের পক্ষ থেকে যথাক্রমে মো. আমজাদ হোসাইন এবং মো. আবু নাসেরকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে আসন দুটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে নরসিংদী-২ আসনটি এনসিপির মনোনীত প্রার্থী গোলাম সরোয়ারকে এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনটি মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় দলটির মনোনীত দুই প্রার্থী যথাসময়ে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। এ অবস্থায় ব্যালট পেপারে জামায়াতের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ থাকলে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে উল্লিখিত দুই আসনের ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি সবিনয় আবেদন জানানো হয়েছে।
What's Your Reaction?