দুই কলেজশিক্ষকের কাছে ডাকযোগে এলো কাফনের কাপড়
নাটোরের গুরুদাসপুরে রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই শিক্ষককে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠানো হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কলেজ চলাকালীন পার্সেল দুটি খোলার পর কাফনের কাপড় বেরিয়ে এলে শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাপড়গুলো জব্দ করে। ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক হলেন, ওই কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় পোস্ট অফিসের এক কর্মী ওই দুই শিক্ষকের নামে আসা দুটি পার্সেল কলেজে নিয়ে আসেন। রোববার কলেজে এসে শিক্ষকরা পার্সেল দুটি নিয়ে প্যাকেট খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে ভাঁজ করা নতুন কাফনের কাপড়। প্রতিটি পার্সেলের ভেতরে চার খণ্ড করে কাফনের কাপড় রাখা ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে সহকর্মীদের বিষয়টি জানান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন। কলেজের অফিস সহকারী দিল রুবা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে পোস্ট অফিসের পিয়ন এসে বড় সাইজের দুটি খাম দিয়ে যান। আনোয়ার হোসেনের প্যাকেটে প্রেরক হিসেবে উল্লেখ ছিল লিখন হোসেনের নাম। অপরদিকে, আব্দুস সামাদের পার্সে
নাটোরের গুরুদাসপুরে রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই শিক্ষককে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কলেজ চলাকালীন পার্সেল দুটি খোলার পর কাফনের কাপড় বেরিয়ে এলে শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাপড়গুলো জব্দ করে।
ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক হলেন, ওই কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় পোস্ট অফিসের এক কর্মী ওই দুই শিক্ষকের নামে আসা দুটি পার্সেল কলেজে নিয়ে আসেন। রোববার কলেজে এসে শিক্ষকরা পার্সেল দুটি নিয়ে প্যাকেট খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে ভাঁজ করা নতুন কাফনের কাপড়। প্রতিটি পার্সেলের ভেতরে চার খণ্ড করে কাফনের কাপড় রাখা ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে সহকর্মীদের বিষয়টি জানান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন।
কলেজের অফিস সহকারী দিল রুবা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে পোস্ট অফিসের পিয়ন এসে বড় সাইজের দুটি খাম দিয়ে যান। আনোয়ার হোসেনের প্যাকেটে প্রেরক হিসেবে উল্লেখ ছিল লিখন হোসেনের নাম। অপরদিকে, আব্দুস সামাদের পার্সেলের প্রেরকের জায়গায় জনি আহমেদের নাম লেখা রয়েছে। দুজনের ক্ষেত্রেই প্রেরকদের ঠিকানা হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রভাষক আনোয়ার হোসেন কালবেলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার খামটি এলেও কলেজের ফোন পেয়ে রোববার সকালেই খামটি করি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে ভেবে খামটি খুলেই দেখি কাফনের কাপড়। তবে প্রেরককে আমি চিনি না।
সহকারী অধ্যপক আব্দুস সামাদ কালবেলাকে বলেন, আমার নামে পাঠানো খামের কথা সহকর্মী আনোয়ার হোসেন প্রথমে অবগত করেন। আমি এসে খামটি খুলেই কাফনের কাপড় দেখতে পাই। তবে প্রেরককে আমি চিনি না। আমার কারো সাথে শত্রুতা নেই। বিষয়টি নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করব।
অধ্যক্ষ মাহতাব উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, কলেজের দুই শিক্ষকের নামে পাঠানো কাফনের কাপড়ের বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক আমাকে অবগত করেনি। তাই এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে নারাজ। তবে তিনি শঙ্কিত হয়েছেন।
গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মন্জুরুল আলম কালবেলাকে বলেন, কাফনের কাপড় আসার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। খবর পাওয়ার পরপরই কলেজে গিয়ে কাফনের কাপড়গুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।
What's Your Reaction?