দুই কোটি টাকার সড়কে কাজ শেষ না হতেই উঠছে কার্পেটিং

দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় হাতে নেওয়া সড়ক সংস্কার প্রকল্প এখন এলাকাবাসীর জন্য নতুন উদ্বেগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই উঠে আসছে পিচ, এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই সড়কটির কাজ করা হচ্ছে। ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দয়া–ইসলামগঞ্জ সড়কে সম্প্রতি শুরু হওয়া সংস্কার কাজের এমন চিত্র সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বছরের পর বছর সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অবশেষে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা আশাবাদী হয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সেই আশা এখন চরম হতাশায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৭শ মিটার সড়ক সংস্কারের কাজ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চলতি বছরে এসে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতি

দুই কোটি টাকার সড়কে কাজ শেষ না হতেই উঠছে কার্পেটিং

দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় হাতে নেওয়া সড়ক সংস্কার প্রকল্প এখন এলাকাবাসীর জন্য নতুন উদ্বেগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ শেষ না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই উঠে আসছে পিচ, এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই সড়কটির কাজ করা হচ্ছে। ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দয়া–ইসলামগঞ্জ সড়কে সম্প্রতি শুরু হওয়া সংস্কার কাজের এমন চিত্র সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বছরের পর বছর সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অবশেষে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা আশাবাদী হয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সেই আশা এখন চরম হতাশায় পরিণত হয়েছে।

দুই কোটি টাকার সড়কে কাজ শেষ না হতেই উঠছে কার্পেটিং

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৭শ মিটার সড়ক সংস্কারের কাজ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চলতি বছরে এসে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের পরে কাজ শুরু করেও মানসম্মত কাজ না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সোহিল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় মান বজায় রাখা হয়নি। বিটুমিন, খোয়া ও অন্যান্য উপকরণ নিম্নমানের হওয়ায় ঢালাইয়ের কিছুদিনের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

দুই কোটি টাকার সড়কে কাজ শেষ না হতেই উঠছে কার্পেটিং

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান উপজেলা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবরার আহাম্মদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাজের মানে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঠিকাদার প্রতিনিধি মো. মঞ্জিল হোসেন দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে রাস্তার কার্পেটিং তুলে ফেলছে। তার ভাষ্য, কাজের মান নিয়ে কোনো গাফিলতি নেই এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী ঠিকাদারের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, রাস্তার বিভিন্ন অংশে একইভাবে কার্পেটিং উঠে যাওয়াই কাজের নিম্নমানের প্রমাণ। তাদের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মানসম্মতভাবে সড়ক সংস্কার নিশ্চিত করা হোক।

শরীফুল ইসলাম/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow