দুই বছরে দেশ আলোকিত করবে আরও ২৬ নবায়নযোগ্য কেন্দ্র

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ঝুঁকছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে। লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা। জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১১৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দেশ আলোকিত করার এ উদ্যোগের বড় অংশজুড়েই থাকবে সৌরবিদ্যুৎ। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে। বেশকিছু কেন্দ্রের অগ্রগতিও ভালো। এই ২৬ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি সরকারি। বেসরকারি উদ্যোগে হচ্ছে ২০টি কেন্দ্র। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চলতি বছরের এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎখাতের অগ্রগতির তথ্য পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা যায়। বিপিডিবির তথ্য বলছে, সরকারি ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১১২ মেগাওয়াট। যার সবগুলোই সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক। আর বেসরকারি ২০টি কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১ হাজার ৬২ মেগাওয়াট। এর মধ্যে একটি বর্জ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট এবং একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ৫৫ মেগাওয়াট। বাকি ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রই সোলার বা সৌরভিত্তিক। সবমিলিয়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ২৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১১শ ৭৪ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৯১ দশমিক

দুই বছরে দেশ আলোকিত করবে আরও ২৬ নবায়নযোগ্য কেন্দ্র

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ঝুঁকছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে। লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা। জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১১৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দেশ আলোকিত করার এ উদ্যোগের বড় অংশজুড়েই থাকবে সৌরবিদ্যুৎ।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে। বেশকিছু কেন্দ্রের অগ্রগতিও ভালো। এই ২৬ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি সরকারি। বেসরকারি উদ্যোগে হচ্ছে ২০টি কেন্দ্র।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চলতি বছরের এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎখাতের অগ্রগতির তথ্য পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা যায়।

বিপিডিবির তথ্য বলছে, সরকারি ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১১২ মেগাওয়াট। যার সবগুলোই সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক।

আর বেসরকারি ২০টি কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১ হাজার ৬২ মেগাওয়াট। এর মধ্যে একটি বর্জ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট এবং একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ৫৫ মেগাওয়াট। বাকি ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রই সোলার বা সৌরভিত্তিক।

সবমিলিয়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ২৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১১শ ৭৪ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৯১ দশমিক ৭০ মেগাওয়াটের বর্জ্য ও বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর ১০৭৬ দশমিক ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যা ৯১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বলছে, আরপিসিএলের অধীনে জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরপার্কের চুক্তি সম্পাদন হয় ২০২৩ সালের ১০ জুন। সম্ভাব্য চালুর তারিখ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস। প্রকল্পটির অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ।

বিপিডিবির অধীনে সিরাজগঞ্জ ৪ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি সম্পাদন হয় ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, সম্ভাব্য চালুর সময় ২০২৬ সালের ডিসেম্বর।

খুলনায় ২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের চুক্তি সম্পাদন হয় চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি, সম্ভাব্য চালুর সময় ২০২৬ সালের ডিসেম্বর।

সারা বিশ্ব এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। বরং আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে এগিয়ে গেলে আমরা বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি এড়াতে পারবো জানিয়ে বলেন, এটা দূষণমুক্ত একটা পদ্ধতি। আমাদের দেশে সূর্যের তাপ অনেক বেশি। তাই সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনাও অনেক বেশি।-জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরূল ইমাম

ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি সম্পাদন হয় চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি, সম্ভাব্য চালুর সময় ২০২৭ সালের জানুয়ারি।

হরিপুর ২ দশমিক ২৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি সম্পাদন হয় চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি, সম্ভাব্য চালুর সময় ২০২৭ সালের জানুয়ারি।

সৈয়দপুর ৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি সম্পাদন হয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি, সম্ভাব্য চালুর সময় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর। সবগুলো কেন্দ্রের প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে।

বেসরকারি খাতের ২০টি যে অবস্থায়

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ৩২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে হাওর বাংলা-কোরিয়া গ্রিন এনার্জি লিমিটেড। ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি চুক্তি হওয়া কেন্দ্রটি ২০২৪ সালে ৩১ ডিসেম্বরে চালু হওয়ার কথা থাকলেও কাজ শেষ হয়নি। পরবর্তীসময়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে চালুর সম্ভাব্য সময়সীমা ধরা হয়েছে। প্রকল্পটির কাজে ৭৫ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ২০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে জুকস পাওয়ার লিমিটেড। ২০২৪ সালের ২৬ মে চুক্তি সম্পাদন হয়, চালুর সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস। প্রকল্পটির অগ্রগতি ৭০ শতাংশ।

আরও পড়ুন

সৌর বিদ্যুৎ: সম্ভাবনার আলো এবং জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথরেখা
৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় সরকার
১০ হাজার ৬১২ কোটি টাকা খরচে তিন জেলায় হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র
জ্বালানি সংকটে পথ দেখাচ্ছে চীন, তিব্বতে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপ্লব

চট্টগ্রামের বায়েরহাটে ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে সোনাগাজী সোলার পাওয়ার লিমিটেড। চুক্তি সম্পাদন হয় ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই। এটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে চালু হওয়ার কথা। প্রকল্পটির অগ্রগতি ২৫ শতাংশ।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৩০ মেগাওয়াট সৌরপার্ক নির্মাণ করছে করতোয়া সোলার লিমিটেড। ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে চালুর কথা থাকলেও সম্ভব হয়নি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে কেন্দ্রটি চালুর আশা করা যাচ্ছে। সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কার্যক্রম চলমান।

পাবনার বেড়ায় ৩ দশমিক ৭৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে সৌদিয়া অ্যাগ্রো সোলার পিভি পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড। ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বরে চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর চালুর কথা থাকলেও সম্ভব হয়নি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে চালুর সম্ভাব্য সময়সীমা ধরা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রটির ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে পিভি পাওয়ার পাটগ্রাম লিমিটেড। ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর চালুর কথা থাকলেও সম্ভব হয়নি। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে চালুর সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে। কেন্দ্রটির বর্তমানে পূর্ত কার্যক্রম চলছে।

সিলেটের গোয়াইনঘাটে ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে ইকি সুজি অ্যান্ড সান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড। ২০১৮ সালের ২ আগস্ট কেন্দ্রটির চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৪ সালের ৩০ মে কেন্দ্রটি চালুর কথা থাকলেও সম্ভব হয়নি। চালুর সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বর। প্রকল্পের অগ্রগতির তথ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, ইপিসি নিয়োগ করা হয়েছে।

নীলফামারীর জলঢাকায় ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রটির চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা এবং ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

সুধারাম নোয়াখালী ১০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে জয়েন্ট ভেঞ্চার অব মাহিন-বিদুল্লাঙ্কা। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করে ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলমান।

হাটহাজারী ১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে কনসোর্টিয়াম অব এফজিএল, এফএইচএল ও জিবিবি। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা এবং ওই মাসে চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

ফটিকছড়ি ৪৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে কর্ণফুলী-ইনফ্রাকো কনসোর্টিয়াম। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করে ওই মাসে চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

কক্সবাজার (উত্তর) ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া ইউনিট-২ লিমিটেড। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা এবং ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলমান।

ফটিকছড়ি ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে কনফিডেন্স এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা এবং ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

মংলা ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে জয়েন্ট ভেঞ্চার অব কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করে ওই মাসে চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলমান।

বিবিয়ানা ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে জয়েন্ট ভেঞ্চার অব পারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসি এবং প্যারামাউন্ট হোল্ডিং লিমিটেড। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৯ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা। ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

ঈশ্বরদী ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে পাবনা গ্রিন পাওয়ার লিমিটেড। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৯ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার করে ওই মাসে চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলমান।

পাবনা ১৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছে পদ্মা সোলার লিমিটেড। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৯ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা। ওই মাসেই চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলমান।

সিলেটের মৌলভীবাজারে ২৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে ভেঞ্চার অব প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসি এবং প্যারামাউন্ট হোল্ডিং লিমিটেড। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৮ সালের ২৯ জানুয়ারি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা এবং ওই মাসে চালুর কথা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ চলছে।

আমিনবাজার ৪২ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প (ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন)। প্রকল্পটির স্পন্সর ডাব্লিউটিই পাওয়ার প্ল্যান্ট নর্থ ঢাকা প্রাইভেট লিমিটেড। ২০২১ সালে প্রকল্পের চুক্তি সম্পাদন হয়। চলতি বছরের জুলাইয়ে চালুর কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হচ্ছে না। ২০২৮ সালের জুলাইয়ে চালুর সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে। প্রকল্পটির পাইলিং চলছে।

মংলা-বাগেরহাট ৫৫ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি করছপ মংলা গ্রিন পাওয়ার লিমিটেড। ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রটির চুক্তি সম্পাদন হয়। ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চালুর কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি। ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরে চালুর সম্ভাব্য সময়সীমা ধরা হয়েছে। প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ চলমান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরূল ইমাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যেতেই হবে। সারা বিশ্ব এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। বরং আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।’

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে এগিয়ে গেলে আমরা বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি এড়াতে পারবো জানিয়ে বলেন, ‘এটা দূষণমুক্ত একটা পদ্ধতি। আমাদের দেশে সূর্যের তাপ অনেক বেশি। তাই সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনাও অনেক বেশি।’

এনএস/এএসএ/এমএফএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow