দুই হাজার টাকার জন্য যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মা-ছেলে আটক
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় পাওনা মাত্র ২ হাজার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিলন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা দক্ষিণ পাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত মিলন মিয়া ওই গ্রামের আমজদ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক ও তার মাকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী মোমিন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া নিহত মিলন মিয়ার কাছে ২ হাজার টাকা পেতেন। বুধবার সকালে সেই পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলে মিলন মিয়ার এক আত্মীয় ইমনের মা হাবিয়া আক্তারকে মারধর করেন। এতে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ইমন ঘর থেকে ধারালো দা এনে মিলনের ঘাড়ে কোপ দেন। দায়ের কোপে মিলন মারাত্মকভাবে জখম ও রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডের পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী ধাওয়া করে ঘাতক ইমন মিয়া ও তার মা হাবিয়া আক্তারকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় পাওনা মাত্র ২ হাজার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিলন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা দক্ষিণ পাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত মিলন মিয়া ওই গ্রামের আমজদ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক ও তার মাকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী মোমিন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া নিহত মিলন মিয়ার কাছে ২ হাজার টাকা পেতেন। বুধবার সকালে সেই পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলে মিলন মিয়ার এক আত্মীয় ইমনের মা হাবিয়া আক্তারকে মারধর করেন। এতে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ইমন ঘর থেকে ধারালো দা এনে মিলনের ঘাড়ে কোপ দেন।
দায়ের কোপে মিলন মারাত্মকভাবে জখম ও রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডের পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী ধাওয়া করে ঘাতক ইমন মিয়া ও তার মা হাবিয়া আক্তারকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি পাওনা দুই হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত হয়ে ইমন ধারালো দা দিয়ে মিলনের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল অভিযুক্ত ইমন ও তার মাকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, বর্তমানে মরদেহ নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
What's Your Reaction?