দুইবার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ৪-২ গোলের নাটকীয় জয় পেয়েছে মরক্কো। দুইবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় তুলে নেয় আটলাস লায়ন্সরা।  গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের লক্ষ্যে মরক্কোর বড় ব্যবধানে জয় প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি নজর ছিল ফ্লোরিডায় স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের ম্যাচের দিকেও। কারণ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে নকআউট পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ ছিল। মরক্কোর কোচ ওয়াহবি তার সেরা একাদশই মাঠে নামান। ব্রাহিম দিয়াজ ও আজেদিন উনাহির সঙ্গে আক্রমণভাগে ছিলেন ইন-ফর্ম ইসমাইল সাইবারি। তবে ম্যাচের শুরুতেই চমকে দেয় হাইতি। ১০ মিনিটের আগেই মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনোর আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ক্যারিবীয় দলটি।  গোল হজমের পর মরক্কো আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিদে দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচে নাটকীয়তা শুরু হয়। গোলরক্ষকের ভুলে আশরাফ হাকিমি সমতা ফেরান মরক্কোর হয়ে। তবে মাত্র দুই মিনিট পরই ইসিদোর প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে অসাধারণ এক গোল করে আবারও হাইতিকে এগিয়ে দেন। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে এগিয়ে থাকবে গোলটি।

দুইবার পিছিয়ে পড়েও হাইতিকে হারিয়ে নকআউটে মরক্কো

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ৪-২ গোলের নাটকীয় জয় পেয়েছে মরক্কো। দুইবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জয় তুলে নেয় আটলাস লায়ন্সরা। 

গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের লক্ষ্যে মরক্কোর বড় ব্যবধানে জয় প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি নজর ছিল ফ্লোরিডায় স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের ম্যাচের দিকেও। কারণ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে নকআউট পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ ছিল।

মরক্কোর কোচ ওয়াহবি তার সেরা একাদশই মাঠে নামান। ব্রাহিম দিয়াজ ও আজেদিন উনাহির সঙ্গে আক্রমণভাগে ছিলেন ইন-ফর্ম ইসমাইল সাইবারি। তবে ম্যাচের শুরুতেই চমকে দেয় হাইতি। ১০ মিনিটের আগেই মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনোর আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ক্যারিবীয় দলটি। 

গোল হজমের পর মরক্কো আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিদে দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচে নাটকীয়তা শুরু হয়। গোলরক্ষকের ভুলে আশরাফ হাকিমি সমতা ফেরান মরক্কোর হয়ে। তবে মাত্র দুই মিনিট পরই ইসিদোর প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে অসাধারণ এক গোল করে আবারও হাইতিকে এগিয়ে দেন। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে এগিয়ে থাকবে গোলটি।   
তবে বিরতির ঠিক আগে সাইবারি গোল করে ম্যাচে ২-২ সমতা ফিরিয়ে আনেন।

দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কো পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। একের পর এক আক্রমণে হাইতির রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। ঘণ্টাখানেক খেলার পর থেকেই তৃতীয় গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আফ্রিকার দলটি।  

অবশেষে শেষ ১৫ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা রাহিমি মরক্কোকে এগিয়ে দেন। শাদি রিয়াদের পাস থেকে গোল করে তিনি দলকে প্রথমবারের মতো লিড এনে দেন। ম্যাচের শেষ দিকে রাহিমিই আরেকটি সুযোগ তৈরি করে দেন ইয়াসিন গেসিমের জন্য। এই তরুণ ফরোয়ার্ড সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মরক্কোর চতুর্থ গোল করেন ।    

অতিরিক্ত সময়ে হাইতির দাকেন্স নাজনের শট অসাধারণ ডাইভ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক বোনো। এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা সেভ হিসেবে থাকবে।  

জয় পেলেও গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি মরক্কো। ফলে নকআউট পর্ব খেলতে তাদের মেক্সিকোর মনতেরেতে যেতে হবে, যেখানে গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষ দলের মুখোমুখি হবে তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow