দুদকের মামলায় আবেদ আলী কারাগারে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় রিমান্ড শেষে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।  এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন দুদকের করা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আসামি সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া যায়। তার মধ্যে মো. জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন মর্মে তথ্য পাওয়া যায়। আসামি সৈয়দ আবেদ আলী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একজন গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও তিনি সংঘবদ্ধ প্রশ্ন ফাঁস চক্রের স

দুদকের মামলায় আবেদ আলী কারাগারে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় রিমান্ড শেষে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। 

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন দুদকের করা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আসামি সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া যায়। তার মধ্যে মো. জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

আসামি সৈয়দ আবেদ আলী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একজন গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও তিনি সংঘবদ্ধ প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং অনৈতিকভাবে চাকরি পেয়েছেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। আসামি সৈয়দ আবেদ আলী ওরফে জীবনের কাছে থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow