দুদকের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ চারজনের শুনানি পেছাল 

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের করা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।  বুধবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২৪ মে একই কারণে শুনানি পেছানো হয়েছিল। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আসাদুজ্জামানের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, তার ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি ও মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান।  এদিন এই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কারাগারে আটক আসামি জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক ছুটিতে থাকায় শুনানি হয়নি। এজন্য ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন।  ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয় দুদক।  মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুজ্জামান খান একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অ

দুদকের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ চারজনের শুনানি পেছাল 

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের করা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বুধবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২৪ মে একই কারণে শুনানি পেছানো হয়েছিল।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আসাদুজ্জামানের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, তার ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি ও মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান। 

এদিন এই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কারাগারে আটক আসামি জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক ছুটিতে থাকায় শুনানি হয়নি। এজন্য ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন। 

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয় দুদক। 

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুজ্জামান খান একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। এছাড়া এই আসামি ৯টি ব্যাংক হিসেবে ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনেদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুস’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে উহার রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে কমিশন থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow