দুধ চা ছাড়া চলেই না? জানুন নিয়মিত খেলে শরীরে কী হতে পারে
বাংলাদেশে চা মানেই আলাদা আবেগ। সকালে ঘুম ভাঙাতে হোক বা বিকেলের আড্ডায়, দুধ চা যেন অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। অনেকের দিনই শুরু হয় এক কাপ দুধ চা দিয়ে। কিন্তু এই প্রিয় অভ্যাসটাই যদি ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করে? পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ম না মেনে বেশি দুধ চা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নাও হতে পারে।
হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদ প্রিয়া দুধ চা খাওয়ার ভালো-মন্দ দিক নিয়ে কথা বলেছেন। তার মতে, সপ্তাহে দুই-তিন দিন দুধ চা পান করলে সাধারণত তেমন সমস্যা হয় না। কিন্তু যারা দিনে দুই-তিন কাপ বা তার বেশি দুধ চা খান, তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, চায়ে থাকা ক্যাটেচিন নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু চায়ের সঙ্গে দুধ মেশালে এই ক্যাটেচিন দুধে থাকা কেজিন প্রোটিনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। ফলে চা তার অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের উপকারিতা অনেকটাই হারায়, আবার দুধও পুরোপুরি প্রোটিনের সুবিধা দিতে পারে না। এতে চা আরও অ্যাসিডিক হয়ে যায়, যা শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি করতে পারে।
এর সঙ্গে যদি চিনি বা কনডেন্সড মিল্ক যোগ করা হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায
বাংলাদেশে চা মানেই আলাদা আবেগ। সকালে ঘুম ভাঙাতে হোক বা বিকেলের আড্ডায়, দুধ চা যেন অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। অনেকের দিনই শুরু হয় এক কাপ দুধ চা দিয়ে। কিন্তু এই প্রিয় অভ্যাসটাই যদি ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করে? পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ম না মেনে বেশি দুধ চা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নাও হতে পারে।
হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদ প্রিয়া দুধ চা খাওয়ার ভালো-মন্দ দিক নিয়ে কথা বলেছেন। তার মতে, সপ্তাহে দুই-তিন দিন দুধ চা পান করলে সাধারণত তেমন সমস্যা হয় না। কিন্তু যারা দিনে দুই-তিন কাপ বা তার বেশি দুধ চা খান, তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, চায়ে থাকা ক্যাটেচিন নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু চায়ের সঙ্গে দুধ মেশালে এই ক্যাটেচিন দুধে থাকা কেজিন প্রোটিনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। ফলে চা তার অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের উপকারিতা অনেকটাই হারায়, আবার দুধও পুরোপুরি প্রোটিনের সুবিধা দিতে পারে না। এতে চা আরও অ্যাসিডিক হয়ে যায়, যা শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি করতে পারে।
এর সঙ্গে যদি চিনি বা কনডেন্সড মিল্ক যোগ করা হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। নিয়মিত অতিরিক্ত চিনি ও ক্যাফেইন শরীরে গেলে ওজন বেড়ে যাওয়া, হজমের সমস্যা, গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং দাঁতের ক্ষয়ের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘুমের সমস্যা, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা রক্তচাপ ওঠানামার ঝুঁকিও বাড়ে।
দুধ চা খাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে ত্বকেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা বেশি দুধ চা পান করেন, তাদের ব্রণ, ফুসকুড়ি বা ত্বকের অন্যান্য সমস্যার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। অবাক করার বিষয় হলো, এত জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও দুধ চায়ে তেমন উল্লেখযোগ্য পুষ্টিগুণ থাকে না।
এই কারণে পুষ্টিবিদরা দুধ চা পুরোপুরি বন্ধ না করলেও অভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ আনার পরামর্শ দিচ্ছেন। সপ্তাহে দুই-তিন দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। বিকল্প হিসেবে ব্ল্যাক টি, আদা চা বা হারবাল চা বেছে নেওয়া যেতে পারে। আর যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য গ্রিন টি হতে পারে ভালো অভ্যাস।
সব মিলিয়ে বলা যায়, চা খাওয়া নিজে থেকে খারাপ নয়। কিন্তু কতটা এবং কীভাবে খাচ্ছেন, সেটাই আসল বিষয়। একটু সচেতন হলেই প্রিয় দুধ চা খেয়েও সুস্থ থাকা সম্ভব।