দুবাই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী মেলায় বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থীর স্বর্ণপদক

আন্তর্জাতিক বিশ্ব উদ্ভাবনী শিক্ষার্থী এক্সপো (IWISE) গ্লোবাল ফাইনালসে স্বর্ণপদক অর্জন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের তিন মেধাবী শিক্ষার্থী। স্বায়ত্তশাসিত আন্ডারওয়াটার ভেহিকলের জন্য গোপনীয়তামুখী হাইব্রিড প্রপালশন সিস্টেম উদ্ভাবনের জন্য তারা এই সম্মাননা অর্জন করেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—এসএফএক্স গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ফাইক আবরার কামাল, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের মো. মাহিব আল মামুন এবং সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফারহিন রহমান পূর্ণো। তারা যৌথভাবে “A Stealth-Optimized Hybrid Propulsion System for Autonomous Underwater Vehicles (AUVs)” শিরোনামে একটি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করে এই সাফল্য অর্জন করেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক সামরিক ও বাণিজ্যিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীরা কয়েক মাস ধরে গবেষণা ও কাজ করেছেন। অত্যন্ত কঠোর তিন ধাপের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা গ্লোবাল ফাইনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। প্রথম ধাপে দলটি তাদের গবেষণাপত্র জমা দেয়। এরপর ভার্চুয়াল মূল্যায়ন পর্বে উত্তীর্ণ হয়

দুবাই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী মেলায় বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থীর স্বর্ণপদক

আন্তর্জাতিক বিশ্ব উদ্ভাবনী শিক্ষার্থী এক্সপো (IWISE) গ্লোবাল ফাইনালসে স্বর্ণপদক অর্জন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের তিন মেধাবী শিক্ষার্থী।

স্বায়ত্তশাসিত আন্ডারওয়াটার ভেহিকলের জন্য গোপনীয়তামুখী হাইব্রিড প্রপালশন সিস্টেম উদ্ভাবনের জন্য তারা এই সম্মাননা অর্জন করেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—এসএফএক্স গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ফাইক আবরার কামাল, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের মো. মাহিব আল মামুন এবং সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফারহিন রহমান পূর্ণো। তারা যৌথভাবে “A Stealth-Optimized Hybrid Propulsion System for Autonomous Underwater Vehicles (AUVs)” শিরোনামে একটি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করে এই সাফল্য অর্জন করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক সামরিক ও বাণিজ্যিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে শিক্ষার্থীরা কয়েক মাস ধরে গবেষণা ও কাজ করেছেন। অত্যন্ত কঠোর তিন ধাপের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা গ্লোবাল ফাইনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

প্রথম ধাপে দলটি তাদের গবেষণাপত্র জমা দেয়। এরপর ভার্চুয়াল মূল্যায়ন পর্বে উত্তীর্ণ হয়ে তারা দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ফাইনালে অংশ নেন। সেখানে শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক প্যানেলের সামনে তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তারা স্বর্ণপদক অর্জন করেন। স্বর্ণপদকের পাশাপাশি তাদের মেধার স্বীকৃতি হিসেবে কেমব্রিজের একটি আন্তর্জাতিক কলেজে সর্বোচ্চ মেরিট স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয়ে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সারে সহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানজনক শর্তসাপেক্ষ স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগও পেয়েছেন তারা।

এই অর্জন আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরেছে। দেশের জন্য এমন গৌরবময় সাফল্যে শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow