দুমকীতে ৭১ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক
পটুয়াখালীর দুমকীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৭১ শতাংশই দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকশূন্য। উপজেলার ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৪ প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে উপজেলায় মাত্র ১৬ বিদ্যালয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ১৯টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং ২৫টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদগুলো পূরণ না হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা, শিক্ষকদের তদারকি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন প্রস্তুত, হিসাব-নিকাশ, অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্র
পটুয়াখালীর দুমকীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৭১ শতাংশই দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকশূন্য। উপজেলার ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৪ প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে উপজেলায় মাত্র ১৬ বিদ্যালয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ১৯টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং ২৫টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদগুলো পূরণ না হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা, শিক্ষকদের তদারকি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন প্রস্তুত, হিসাব-নিকাশ, অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শিক্ষার মানের ওপরও পড়ছে বলে তারা মনে করেন।
স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পেলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরবে, শিক্ষকদের কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়বে এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুলিন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘বর্তমানে শূন্য পদগুলোতে ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়। দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।’
শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধান শিক্ষক। তাই দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বিদ্যালয়ে এ পদ শূন্য থাকায় সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে দুমকীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও মানসম্মত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
What's Your Reaction?