দুর্ঘটনায় দুই পা হারানো সাগরের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন
জীবিকার তাগিদে একটি ব্যাটারির দোকানে কাজ করে মা, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট সংসার চালাতেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পাটগুদাম রেলি মোড় এলাকার মো. সাগর। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিন মাস আগে এক দুর্ঘটনায় তার জীবন থমকে যায়। বাসায় ফেরার পথে বস্তি সংলগ্ন রেললাইনের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে চিকিৎসার স্বার্থে তার দুটি পা কেটে ফেলতে হয়। দুর্ঘটনার পর কর্মক্ষমতা হারিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েন সাগর ও তার পরিবার। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার চিকিৎসা ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সাগরের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন/২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার বাসভবনে যান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। এ সময় তিনি সাগরের শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মো. সাগরকে একটি হুইলচেয়ার এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের এই মানবিক উদ্যোগে সাগর ও তার পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প
জীবিকার তাগিদে একটি ব্যাটারির দোকানে কাজ করে মা, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট সংসার চালাতেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পাটগুদাম রেলি মোড় এলাকার মো. সাগর। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিন মাস আগে এক দুর্ঘটনায় তার জীবন থমকে যায়। বাসায় ফেরার পথে বস্তি সংলগ্ন রেললাইনের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
পরে চিকিৎসার স্বার্থে তার দুটি পা কেটে ফেলতে হয়। দুর্ঘটনার পর কর্মক্ষমতা হারিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েন সাগর ও তার পরিবার। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার চিকিৎসা ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সাগরের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন/২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার বাসভবনে যান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। এ সময় তিনি সাগরের শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মো. সাগরকে একটি হুইলচেয়ার এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের এই মানবিক উদ্যোগে সাগর ও তার পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রাও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। মানবিক সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে জেলা প্রশাসনের এই সহযোগিতা দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত সাগরের জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
What's Your Reaction?