দুর্ঘটনায় পা হারানোর শঙ্কায় মামুন, পাশে দাঁড়ালেন শামীমা রাহীম শীলা
মানিকগঞ্জে গাছের গুঁড়ির নিচে চাপা পড়ে দুই পা ভেঙে গুরুতর আহত দোহারের শ্রমজীবী মামুন খান (৫০) এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। চিকিৎসাধীন মামুন কবে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরতে পারবেন; তা জানেন না। এমন পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় রাইপাড়া গ্রামে মামুনের বাড়িতে তাকে দেখতে যান শামীমা রাহিম শীলা।
জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই মানিকগঞ্জে গাছ কেটে গাড়িতে তোলার সময় একটি গাছের গুঁড়ি মামুনের দুই পা ও হাঁটুর ওপর পড়ে। এতে তার দুই পা ভেঙে যায় এবং পায়ে একাধিক ফ্র্যাকচার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা চললেও সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরতে কত সময় লাগবে; তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তিনি।
কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালানো মামুন দুর্ঘটনার পর কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। তার পরিবারে রয়েছে তিন সন্তান। বড় মেয়ে সোহানা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি পাস করেছে। ছোট মেয়ে মোহনা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। আর ছোট ছেলের বয়স দুই বছর। বাবার দুর্ঘটনার পর বড় মেয়ে
মানিকগঞ্জে গাছের গুঁড়ির নিচে চাপা পড়ে দুই পা ভেঙে গুরুতর আহত দোহারের শ্রমজীবী মামুন খান (৫০) এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। চিকিৎসাধীন মামুন কবে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরতে পারবেন; তা জানেন না। এমন পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় রাইপাড়া গ্রামে মামুনের বাড়িতে তাকে দেখতে যান শামীমা রাহিম শীলা।
জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই মানিকগঞ্জে গাছ কেটে গাড়িতে তোলার সময় একটি গাছের গুঁড়ি মামুনের দুই পা ও হাঁটুর ওপর পড়ে। এতে তার দুই পা ভেঙে যায় এবং পায়ে একাধিক ফ্র্যাকচার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা চললেও সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরতে কত সময় লাগবে; তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তিনি।
কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালানো মামুন দুর্ঘটনার পর কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। তার পরিবারে রয়েছে তিন সন্তান। বড় মেয়ে সোহানা আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি পাস করেছে। ছোট মেয়ে মোহনা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। আর ছোট ছেলের বয়স দুই বছর। বাবার দুর্ঘটনার পর বড় মেয়ে সোহানার এসএসসি পাসের আনন্দও যেন ম্লান হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় ও সংসারের খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারটি।
মামুনের বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা করেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রাহিম।
শামীমা শীলা বলেন, ‘দলের আদর্শ ও নীতি ধারণ করে দোহারের অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। কোনো মানুষকে সহযোগিতা করার পর তাঁর মুখের যে অপার্থিব হাসি, তা দেখার মধ্যে অন্য রকমের আনন্দ আছে।’
তিনি বলেন, ‘গত পরশু দোহারের বিলাশপুরের কুলচুরি গ্রামের ক্যানসারে আক্রান্ত মিশুকচালক ফারুক মিয়াকে দেখতে গিয়েছিলাম। তাকেও কিছুটা সহায়তা করতে পেরে ভালো লেগেছে। এ ধরনের শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।’