দুর্নীতির অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক নৌবাহিনী প্রধান গ্রেপ্তার

শ্রীলঙ্কার দুর্নীতি দমন কমিশন দেশটির সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ওয়াসান্থা করান্নাগোদাকে গ্রেপ্তার করেছে। সাবেক এ শীর্ষ নৌ কর্মকর্তা এক রাজনৈতিক প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যকে অবৈধভাবে নৌবাহিনীতে নিয়োগ ও বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন।  শুক্রবার (০৩ জুলাই) আরব নিউজের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০০৬ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলে যোশিথা রাজাপাকসেকে যোগ্যতা ছাড়াই নৌবাহিনীতে নিয়োগ দেন ওয়াসান্থা করান্নাগোদা। পরে তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগও দেওয়া হয়। সেই সময় করান্নাগোদা শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।  দুর্নীতি দমন কমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ওই নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে তিনি দুর্নীতির অপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে যোশিথা রাজাপাকসে জামিনে রয়েছেন। গত মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় একটি পৃথক মামলায়। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ ডার্টমাউথ নেভাল কলেজে প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি অর্থ ব্যবহার করেছেন।   করান্নাগোদার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হ

দুর্নীতির অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক নৌবাহিনী প্রধান গ্রেপ্তার

শ্রীলঙ্কার দুর্নীতি দমন কমিশন দেশটির সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ওয়াসান্থা করান্নাগোদাকে গ্রেপ্তার করেছে। সাবেক এ শীর্ষ নৌ কর্মকর্তা এক রাজনৈতিক প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যকে অবৈধভাবে নৌবাহিনীতে নিয়োগ ও বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন। 

শুক্রবার (০৩ জুলাই) আরব নিউজের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০০৬ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলে যোশিথা রাজাপাকসেকে যোগ্যতা ছাড়াই নৌবাহিনীতে নিয়োগ দেন ওয়াসান্থা করান্নাগোদা। পরে তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগও দেওয়া হয়। সেই সময় করান্নাগোদা শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। 

দুর্নীতি দমন কমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ওই নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে তিনি দুর্নীতির অপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

বর্তমানে যোশিথা রাজাপাকসে জামিনে রয়েছেন। গত মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় একটি পৃথক মামলায়। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ ডার্টমাউথ নেভাল কলেজে প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি অর্থ ব্যবহার করেছেন।  

করান্নাগোদার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে যুক্তরাজ্য ২০২৫ সালের মার্চে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এছাড়া ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে ১১ তরুণের হত্যার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও রয়েছে। তবে ২০২১ সালের অক্টোবরে তৎকালীন প্রশাসনের সময় এসব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হলেও ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মামলাগুলো আবারও পুনরুজ্জীবিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow