দুর্নীতির সাথে জড়িতদের কোন ক্ষমা নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়  মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচীব  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের অন্য কোন ইন্টারেস্ট নাই, আমরা ঢাকায় অভিজাত বাড়িও বানাবো না কানাডায়ও বাড়ি বানাবো না।  আমরা এখানে কাজ করতে এসেছি কাজ করব। কেউ যদি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছে তাদের ক্ষমা নেই। এই ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিন্ত থাকেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন আয়োজিত সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ফ্যামিলি কার্ড ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, ফ্যামিলি কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি একটি শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নারী প্রধানরা শুধু আর্থিক সুবিধাই পাবেন না, বরং সমাজে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে এবং নারীর ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মির্জা আলমগীর বলেন,ইতোমধ্যে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আসেন আমরা আর পিছন ফিরে না তাকাই । সামনের দিকে তাকিয়ে দেশকে কিভাবে সুন্দর করা যায়, কিভাবে ভালোভাবে কাজ করতে পারি, বাচ্চা গুলোকে লেখাপড়া করাতে পারি, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করত

দুর্নীতির সাথে জড়িতদের কোন ক্ষমা নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়  মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচীব  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের অন্য কোন ইন্টারেস্ট নাই, আমরা ঢাকায় অভিজাত বাড়িও বানাবো না কানাডায়ও বাড়ি বানাবো না।  আমরা এখানে কাজ করতে এসেছি কাজ করব। কেউ যদি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছে তাদের ক্ষমা নেই। এই ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিন্ত থাকেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন আয়োজিত সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ড ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, ফ্যামিলি কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি একটি শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নারী প্রধানরা শুধু আর্থিক সুবিধাই পাবেন না, বরং সমাজে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে এবং নারীর ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মির্জা আলমগীর বলেন,ইতোমধ্যে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আসেন আমরা আর পিছন ফিরে না তাকাই । সামনের দিকে তাকিয়ে দেশকে কিভাবে সুন্দর করা যায়, কিভাবে ভালোভাবে কাজ করতে পারি, বাচ্চা গুলোকে লেখাপড়া করাতে পারি, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি, উন্নত স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিত করতে পারি, ঠিক এই কাজগুলো আমরা সবাই মিলে করি।

তিনি বলেন, আমাদের ক্ষমতায় আসার মাত্র ২২দিন , এরই মধ্যে ১০ হাজার টাকা করে কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। খাল খনন শুরু হয়েছে যেন খরা মৌসুমে সেচ সুবিধা পেতে পারে কৃষক। আজ আবার ফ্যামিলি কার্ড দেয়াও শুরু হলো। গত ১৫ বছরে অনেক উন্নয়ন কাজ থেকে দেশ বঞ্চিত হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে সরকার দ্রুত কাজ শুরু করেছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং যোগাযোগ ও শিক্ষা খাতে উন্নয়নের জন্যও কাজ চলছে

এ সময় উদ্ধোধনের অংশ হিসেবে রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন মহিলাদের মাঝে প্রতিকী ফ্যামিলি কার্ড হাতে তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সরকারের সারা দেশে শুরু করা এই পাইলট প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শর্তসাপেক্ষে কার্ড বিতরণের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৮৮ জন নারী এই সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। একটি বিশেষ কমিটির তত্ত্বাবধানে প্রতিটি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক জরিপ চালানো হয়। প্রাথমিক তালিকায় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ১ হাজার ৩৫ জন নারীর নাম আসে। আইডি কার্ডের জটিলতা কাটিয়ে ১ হাজার ১০ জনের তথ্য সার্ভারে আপলোড করা হয়। মন্ত্রণালয়ের অ্যাপের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় স্কোরের ভিত্তিতে ৫৮৮ জন যোগ্য নারীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow