দুর্বৃত্তদের গুলিতে ‘লেদা পুতু’ নিহত
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলোচিত ডাকাত শাহীন বাহিনীর প্রধান সহযোগী শফিউল আলম প্রকাশ ওরফে লেদা পুতু নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা বেলতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শফিউল আলম প্রকাশ বেলতলী এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে। নিহত শফিউল আলমের দুইটি অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান রয়েছে। রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইঁয়া কালবেলাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ওই এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের উপস্থিতির আগমুহূর্তে দুর্বৃত্তরা শফিউল আলমকে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিউল আলম প্রকাশ লেদা পুতু বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ চোরাচালান কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ডাকাত শাহীন যৌথ বাহিনীর অ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলোচিত ডাকাত শাহীন বাহিনীর প্রধান সহযোগী শফিউল আলম প্রকাশ ওরফে লেদা পুতু নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা বেলতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শফিউল আলম প্রকাশ বেলতলী এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে। নিহত শফিউল আলমের দুইটি অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান রয়েছে।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইঁয়া কালবেলাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ওই এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের উপস্থিতির আগমুহূর্তে দুর্বৃত্তরা শফিউল আলমকে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিউল আলম প্রকাশ লেদা পুতু বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ চোরাচালান কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ডাকাত শাহীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তার নিয়ন্ত্রিত অবৈধ কার্যক্রমের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লেদা পুতুর হাতে ন্যস্ত ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি।
What's Your Reaction?