দেবতাখুমে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সুখবর
টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা বান্দরবানের রোয়াংছড়ির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দেবতাখুম আবারও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে শর্তসাপেক্ষে পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (২০ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবান জেলার নদী, ছড়া ও ঝিরিতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে গত ১৬ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।
বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় ২১ জুলাই থেকে দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র শর্তসাপেক্ষে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে।
প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটক বহনকারী মোটরসাইকেল, চাঁদের গাড়ি কিংবা ব্যক্তিগত যানবাহন কচ্ছপতলী বাজারের পর যেতে পারবে না। সব যানবাহন কচ্ছপতলী বাজারে রাখতে হবে। সেখান থেকে দেবতাখুম পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ পর্যটকদের হেঁট
টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা বান্দরবানের রোয়াংছড়ির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দেবতাখুম আবারও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে শর্তসাপেক্ষে পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (২০ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবান জেলার নদী, ছড়া ও ঝিরিতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে গত ১৬ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।
বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় ২১ জুলাই থেকে দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র শর্তসাপেক্ষে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে।
প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটক বহনকারী মোটরসাইকেল, চাঁদের গাড়ি কিংবা ব্যক্তিগত যানবাহন কচ্ছপতলী বাজারের পর যেতে পারবে না। সব যানবাহন কচ্ছপতলী বাজারে রাখতে হবে। সেখান থেকে দেবতাখুম পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ পর্যটকদের হেঁটে যেতে হবে। তবে নৌপথে যাতায়াতের সুযোগ থাকবে।
নৌপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পর্যটকের জন্য লাইফ জ্যাকেট পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। লাইফ জ্যাকেট ছাড়া কাউকে নৌযানে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
এ ছাড়া পর্যটকদের নিজ নিজ নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যটন ব্যবস্থাপনা কমিটি ও নিবন্ধিত গাইডের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি বলেন, ‘আবহাওয়ার আকস্মিক অবনতি, ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ধস বা অন্য কোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ বা সীমিত করা হতে পারে।’