দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু
দেশে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩৬ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে প্রাণহানি ঘটেছে ৯৩ শিশুর। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৬ জন। সব মিলিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২৯ জনে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জনের। এ সময় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬৮ জন। গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ তিন হাজার ৯৬১ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৮৭ হাজার ২৬২ জন এবং সুস্থ
দেশে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩৬ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে প্রাণহানি ঘটেছে ৯৩ শিশুর।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৬ জন। সব মিলিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২৯ জনে।
প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জনের। এ সময় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬৮ জন।
গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ তিন হাজার ৯৬১ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৮৭ হাজার ২৬২ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৫৭ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেটে তিন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে মৃত্যুবরণ করেছে।
এএমএ
What's Your Reaction?