'দেশের অধিকাংশ বড় সিন্ডিকেটের পেছনে সরকারি দলের হাত থাকে'

দেশের অধিকাংশ বড় সিন্ডিকেটের পেছনে সরকার দলের হাত থাকে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতের মতো এখনও তেমনই আছে, এর কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘বাংলাদেশের কৃষিতে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের প্রভাব ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, জ্বালানিতে এখন হাহাকার। তেল আছে শুধু সংসদে। সেখানে সরকারি দলের ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে কেউ কথা বললে মনে হয়, তেলের ওপর বাংলাদেশ ভাসছে। শুধু কিছু অসৎ চোর-চোট্টা মানুষের কারণে আমরা সমস্যায় পড়ে গেছি। মানুষের জীবিকা ও সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, কৃষিতে ১৮ শতাংশ চাহিদা থাকলেও এ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। দেশের বাস্তবতায় কৃষি, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল এবং মানবসম্পদ—এই তিনটি খাতে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কৃষিনির্ভর দেশ হিসেবে কৃষি পাবে প্রথম গুরুত্ব, এরপর ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল খাত, এবং এগুলোকে সমর্থন দেবে মানবসম্পদ খাত। কিন্তু বাস্তবতা হলো—তিনটিই সংকটে। সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আস

'দেশের অধিকাংশ বড় সিন্ডিকেটের পেছনে সরকারি দলের হাত থাকে'

দেশের অধিকাংশ বড় সিন্ডিকেটের পেছনে সরকার দলের হাত থাকে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতের মতো এখনও তেমনই আছে, এর কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘বাংলাদেশের কৃষিতে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের প্রভাব ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, জ্বালানিতে এখন হাহাকার। তেল আছে শুধু সংসদে। সেখানে সরকারি দলের ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে কেউ কথা বললে মনে হয়, তেলের ওপর বাংলাদেশ ভাসছে। শুধু কিছু অসৎ চোর-চোট্টা মানুষের কারণে আমরা সমস্যায় পড়ে গেছি।

মানুষের জীবিকা ও সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, কৃষিতে ১৮ শতাংশ চাহিদা থাকলেও এ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। দেশের বাস্তবতায় কৃষি, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল এবং মানবসম্পদ—এই তিনটি খাতে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কৃষিনির্ভর দেশ হিসেবে কৃষি পাবে প্রথম গুরুত্ব, এরপর ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল খাত, এবং এগুলোকে সমর্থন দেবে মানবসম্পদ খাত। কিন্তু বাস্তবতা হলো—তিনটিই সংকটে।

সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আসুন, আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নেই। মানুষের হাহাকার বোঝার চেষ্টা করি। কৃষি বিপর্যস্ত হলে দেশের বিপর্যয় কোনো কিছু দিয়ে ঠেকানো যাবে না। বৈদেশিক ঋণ নিয়েও তা ঠেকানো সম্ভব হবে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow