দেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করুক : জামায়াত আমির

দেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার পক্ষে নিজের দলের অবস্থান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই, প্রিয় বাংলাদেশ রাজনীতির সুস্থ ধারায় জনগণের প্রতি দায় ও দরদ নিয়ে, দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠন এ দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করুক।’ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল ২০২২’ সংশোধন করে ‘২০২৬’ বিল পাসের জন্য প্রস্তাব করেন। সে সময় এর বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ক্ষমতার ধারাবাহিকতায় মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে নিঃসন্দেহে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এসেছে। যার সুফল পরবর্তী পর্যায়ে পেয়েছে এবং আজকের পার্লামেন্টও সে ধারাবাহিকার অংশ।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭৯ সালে অল পলিটিক্যাল পার্টি রিভাইভাল অ্যাক্টের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগেরও আবার পুনর্জন্ম হয় বাংলাদেশে। সে সময়ে যে কয়টি দল ছিল, সবগুলোই রাজনীতি করার অধি

দেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করুক : জামায়াত আমির

দেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার পক্ষে নিজের দলের অবস্থান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই, প্রিয় বাংলাদেশ রাজনীতির সুস্থ ধারায় জনগণের প্রতি দায় ও দরদ নিয়ে, দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠন এ দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করুক।’

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল ২০২২’ সংশোধন করে ‘২০২৬’ বিল পাসের জন্য প্রস্তাব করেন। সে সময় এর বিরোধিতা করে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ক্ষমতার ধারাবাহিকতায় মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে নিঃসন্দেহে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এসেছে। যার সুফল পরবর্তী পর্যায়ে পেয়েছে এবং আজকের পার্লামেন্টও সে ধারাবাহিকার অংশ।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭৯ সালে অল পলিটিক্যাল পার্টি রিভাইভাল অ্যাক্টের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগেরও আবার পুনর্জন্ম হয় বাংলাদেশে। সে সময়ে যে কয়টি দল ছিল, সবগুলোই রাজনীতি করার অধিকারটুকু ফিরে পায়। আমরাও পেয়েছি। আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায়ের পাশাপাশি যে মহান ব্যক্তি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার প্রতিও কৃতজ্ঞতা আদায় করছি।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই বিলে প্রস্তাব করা হয়েছে যে জিনিসটা, স্বাধীনতার পরে তখনকার শাসকও তা আনেননি। মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও আনেননি। তিনবারের অতি সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী, তিনিও আনেননি। এ জিনিসটা নিয়ে আসলেন সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করে, ফ্যাসিস্টের একজন বিকৃত প্রতিভূ শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারও এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘কী আছে এতে? এতে তিনটা সংগঠনের নাম নেওয়া হয়েছে। তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামী। পাক সেনা ও আরও কিছু সহযোগী ফোর্সের সঙ্গে এই তিনটা রাজনৈতিক সংগঠনের নাম এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান উপস্থাপনাতেও তাদের নাম বলা হয়েছে। আল্লাহ ভালো জানেন, একাত্তরের এই চরম সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল। আল্লাহ তায়ালা এর একমাত্র পূর্ণাঙ্গ সাক্ষী। বাকিরা আংশিক সাক্ষী।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow