দেশের প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও ছাড় নয় : ডা. শফিকুর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সেই বাংলাদেশ চাই, যেখানে ন্যায়বিচার কায়েম হবে। কোনো মানুষ নির্দিষ্ট কোনো অপরাধ করলে বিচারের আওতায় এনে তাকে যে শাস্তি দেওয়া হবে- দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি একই অপরাধ করলে এ দেশের আইন তাকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব- এই স্লোগান শেষ। যার ভোট সেই দেবে। এই ভোটের ওপর কেউ যদি হাত দেয়, কালো চিল হয়ে আসে, ডানা কেটে দিতে হবে। জনগণের ভোটের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবে, আমরা দেহ-মন উজাড় করে তাদের অভিনন্দন জানাব। এর বাইরে আমরা কোনো কিছু মেনে নেব না।  তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে। সেই নতুন বাংলাদেশ হবে ইনসাফভিত্তিক। ১২ তারিখের নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে হবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি। হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করা হবে। ডা. শফিকুর বলেন, অতীতে যা হয়েছে তা হয়েছে, নতুন একটা বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই

দেশের প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও ছাড় নয় : ডা. শফিকুর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সেই বাংলাদেশ চাই, যেখানে ন্যায়বিচার কায়েম হবে। কোনো মানুষ নির্দিষ্ট কোনো অপরাধ করলে বিচারের আওতায় এনে তাকে যে শাস্তি দেওয়া হবে- দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি একই অপরাধ করলে এ দেশের আইন তাকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব- এই স্লোগান শেষ। যার ভোট সেই দেবে। এই ভোটের ওপর কেউ যদি হাত দেয়, কালো চিল হয়ে আসে, ডানা কেটে দিতে হবে। জনগণের ভোটের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবে, আমরা দেহ-মন উজাড় করে তাদের অভিনন্দন জানাব। এর বাইরে আমরা কোনো কিছু মেনে নেব না। 

তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের জন্ম হবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে। সেই নতুন বাংলাদেশ হবে ইনসাফভিত্তিক। ১২ তারিখের নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে হবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি। হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করা হবে।

ডা. শফিকুর বলেন, অতীতে যা হয়েছে তা হয়েছে, নতুন একটা বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। আমরা যে বাংলাদেশে বসবাস করছি তার মানচিত্র বদলে যাবে, তা নয়। তার খাসলত (চরিত্র) বদলাবে। আমরা চাই না দেশের মাটিতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ার কারণে দমন-পীড়নের শিকার হয়ে তাকে গুম করা হোক, মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে নাজেহাল করা হোক। এই বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা ওই বাংলাদেশটাও চাই না- যেখানে আলেম-ওলামাদের নাজেহাল করা হয়। বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনের ওপর নির্যাতন করা হয়। হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার যুবকদের মিছিল হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা, জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির মাওলানা বদিরুদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুফতি শারাফাত হোসাইন প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow