দেড় শতাধিক অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ছাগল বিতরণ
কুমিল্লায় অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সমিতি। জাকাতের অর্থে প্রায় দেড় শতাধিক ছাগল বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (০২ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে উপকারভোগী শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ছাগল তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি লায়ন মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন মুকুল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী শাহআলম খোকন, সহসভাপতি মহসিন কবির সরকার।
এছাড়াও সমিতির সহসভাপতি ও প্যারাডাইস গ্রুপের চেয়ারম্যান হাজি মনিরুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ জুয়েল ও শরিফুল আলম এতে বক্তব্য রাখেন।
আয়োজকেরা জানান, দরিদ্র ও মেধাবী শ
কুমিল্লায় অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সমিতি। জাকাতের অর্থে প্রায় দেড় শতাধিক ছাগল বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (০২ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে উপকারভোগী শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ছাগল তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি লায়ন মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন মুকুল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী শাহআলম খোকন, সহসভাপতি মহসিন কবির সরকার।
এছাড়াও সমিতির সহসভাপতি ও প্যারাডাইস গ্রুপের চেয়ারম্যান হাজি মনিরুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ জুয়েল ও শরিফুল আলম এতে বক্তব্য রাখেন।
আয়োজকেরা জানান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতেই যাকাতের অর্থকে উৎপাদনমুখী খাতে ব্যবহারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করবে। অতীতেও তারা এ ধরনের কর্মসূচি পালন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।