ধরলার ভাঙন ঝুঁকিতে কুড়িগ্রামের কদমতলা, স্থানীয়দের মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় ধরলা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় ধরলা নদীর বাম তীরে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ কয়েক শ স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধরলা নদীর বাম তীর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন স্থানে কাজ চললেও কদমতলা এলাকার প্রায় ৫০০ মিটার ভাঙনপ্রবণ অংশটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। নানা অজুহাতে গুরুত্বপূর্ণ এ অংশে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে অতি শিগগিরই নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। একই সঙ্গে শত শত পরিবারের বসতভিটা ও ফসলি জমিও চরম হুমকির মুখে পড়বে। এ সময় বক্তব্য দেন সমাজসেবক শাহানুর রহমান সৈকত, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচগাছী ইউনিয়নের সদস্য সচিব মো. রাশেদ খান মিলন, ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, এনামুল হক, ইয়াকুব আলী ও আকতারুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম পা

ধরলার ভাঙন ঝুঁকিতে কুড়িগ্রামের কদমতলা, স্থানীয়দের মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় ধরলা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় ধরলা নদীর বাম তীরে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ কয়েক শ স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ধরলা নদীর বাম তীর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন স্থানে কাজ চললেও কদমতলা এলাকার প্রায় ৫০০ মিটার ভাঙনপ্রবণ অংশটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। নানা অজুহাতে গুরুত্বপূর্ণ এ অংশে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে অতি শিগগিরই নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। একই সঙ্গে শত শত পরিবারের বসতভিটা ও ফসলি জমিও চরম হুমকির মুখে পড়বে।

এ সময় বক্তব্য দেন সমাজসেবক শাহানুর রহমান সৈকত, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচগাছী ইউনিয়নের সদস্য সচিব মো. রাশেদ খান মিলন, ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, এনামুল হক, ইয়াকুব আলী ও আকতারুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, সরেজমিন তদন্ত করে ভাঙনরোধে কার্যকরী পাদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রোকনুজ্জাামান মানু/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow