ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে গ্রেপ্তার দুই আসামি সায়েম ও মারুফকে আদালতে হাজির করা হয়। বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে আনা হয়। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি ধোবাউড়া থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সায়েম ও মারুফকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) অপর দুই আসামি আরিফ ও রাকিব আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাংঙ্গাটি গ্রামের পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিছামনি নিখোঁজ হয়। পরে বাড়ির পাশের কংস নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ গোসল করানোর সময় ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, চার তরুণ মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে জীবিত অবস্থায় নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। তারা লক্ষ্য করে, শিশুটি তখনও হাত-পা নেড়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। এরপর তাদের মধ্যে দুইজন নদীতে নেমে শিশু

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে গ্রেপ্তার দুই আসামি সায়েম ও মারুফকে আদালতে হাজির করা হয়।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে আনা হয়।

এ ঘটনায় জড়িত চারজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি ধোবাউড়া থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সায়েম ও মারুফকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) অপর দুই আসামি আরিফ ও রাকিব আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাংঙ্গাটি গ্রামের পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিছামনি নিখোঁজ হয়। পরে বাড়ির পাশের কংস নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ গোসল করানোর সময় ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চার তরুণ মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে জীবিত অবস্থায় নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। তারা লক্ষ্য করে, শিশুটি তখনও হাত-পা নেড়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। এরপর তাদের মধ্যে দুইজন নদীতে নেমে শিশুটিকে পানির নিচে চেপে ধরে। একপর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত হলে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow