ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

রংপুরের তারাগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারাগঞ্জ থানা চত্ত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান। এর আগে সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ভীমপুর কোরানীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত মুজাহিদ ইসলামকে (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির অদূরে একটি পাটক্ষেত থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে তারাগঞ্জ থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা ছায়দুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছায়দুল ইসলামের ৯ মেয়ে সানজিদা আক্তার মায়ের বকুনি খেয়ে গত শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন শনিবার

ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

রংপুরের তারাগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারাগঞ্জ থানা চত্ত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান।

এর আগে সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ভীমপুর কোরানীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত মুজাহিদ ইসলামকে (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির অদূরে একটি পাটক্ষেত থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে তারাগঞ্জ থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা ছায়দুল ইসলাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছায়দুল ইসলামের ৯ মেয়ে সানজিদা আক্তার মায়ের বকুনি খেয়ে গত শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন শনিবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির অদূরে ডালিয়া সেচ ক্যানেল সংলগ্ন একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শুক্রবার শিশুটিকে তার মা বকুনি দিলে সে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। জুম্মার নামাজের পর শিশুটি রাস্তা দিয়ে পাটক্ষেতের কাছাকাছি পৌছালে আসামী মুজাহিদ কৌশলে তাকে পাটক্ষেতের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে একটা ভিডিও দেখায় এবং তাকে কৌশলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি যখন চিৎকার করতে থাকে তখন গ্রেপ্তার আসামী মুজাহিদ শিশুর সানজিদার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলায় চাপ দিয়ে তাকে হত্যা করে এখান থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এসপি মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনার পর জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সুশান্ত কুমার রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow