ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে ২৫ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের দুটি স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় ধলাই নদীর পানি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত ৯টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের মোকাবিল এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার সকালে একই ইউনিয়নের গঙ্গানগর এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। বাঁধ ভাঙা পানি প্রবল বেগে লোকালয়ে প্রবেশ করায় ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, শ্রীপুর, মোকাবিল, কোণাগাঁও ও বেড়িগাঁওসহ ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। ঢলের পানিতে এলাকার ফসলি জমি ৩-৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং অসংখ্য পুকুর ও ফিশারির মাছ ভেসে গেছে। এদিকে উজানের এই ঢলে আদমপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঘোড়ামারা, বন্দেরগাঁও, ভানুবিল, উত্তরভাগ, জালালপুরসহ ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন। ইতোমধ্যে পানিবন্দি মানুষজন গবাদি

ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে ২৫ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের দুটি স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় ধলাই নদীর পানি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত ৯টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের মোকাবিল এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার সকালে একই ইউনিয়নের গঙ্গানগর এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। বাঁধ ভাঙা পানি প্রবল বেগে লোকালয়ে প্রবেশ করায় ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, শ্রীপুর, মোকাবিল, কোণাগাঁও ও বেড়িগাঁওসহ ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। ঢলের পানিতে এলাকার ফসলি জমি ৩-৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং অসংখ্য পুকুর ও ফিশারির মাছ ভেসে গেছে।

এদিকে উজানের এই ঢলে আদমপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঘোড়ামারা, বন্দেরগাঁও, ভানুবিল, উত্তরভাগ, জালালপুরসহ ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন।

ইতোমধ্যে পানিবন্দি মানুষজন গবাদিপশু ও জরুরি আসবাবপত্র নিয়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার পানি প্রবেশ করায় এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামপুরের বন্যার্তদের মাঝে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম।

এদিকে বেলা ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিয়াজ মাহমুদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওমর ফারুককে সঙ্গে নিয়ে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সরকারি ত্রাণ মজুত রয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মাঝে দ্রুত ত্রাণ বিতরণের সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow