ধানমন্ডিতে সাংবাদিককে মারধর : জামায়াতের চার কর্মী বহিষ্কার
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংগঠিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চারজনকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ শাখা। বুধবার (২৪ জুন) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন। বহিষ্কৃতরা হলেন শফিকুল ইসলাম- খায়রুল আলম রাসেল, আবুল কালাম ও মামুন হোসেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ধানমণ্ডি জোনের উদ্যোগে একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের বাসায় যান এবং তার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে কেন্দ্র ও মহানগরীর পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়া হয়। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চার সদস্যে
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংগঠিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চারজনকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ শাখা।
বুধবার (২৪ জুন) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন।
বহিষ্কৃতরা হলেন শফিকুল ইসলাম- খায়রুল আলম রাসেল, আবুল কালাম ও মামুন হোসেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ধানমণ্ডি জোনের উদ্যোগে একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের বাসায় যান এবং তার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে কেন্দ্র ও মহানগরীর পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়া হয়।
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আজ সেই কমিটির জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে দোষীদের বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
What's Your Reaction?