ধানমন্ডিতে ৫ ফ্ল্যাট ও ৫ কাঠা জমি রুমিনের, হাতে নগদ ৩২ লাখ টাকা
দল থেকে টিকিট না পেলেও ভোটে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামাও দাখিল করেছেন তিনি। দাখিল করা হলফনামায় দেখা যায়, রুমিন ফারহানার নামে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ৫ কাঠা জমি ও ৫টি ফ্ল্যাট আছে। এছাড়া তার হাতে রয়েছে নগদ ৩২ লাখ টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকারের হাতে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে ভোটে লড়বেন। ২৪ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন সাবেক যুবদল নেতা মো. আলী হোসেন। আসনটি জোটের জন্য ছেড়ে দিয়ে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। দাখিল করা হলফনামায় দেখা গেছে, রুমিন ফারহানার নামে ল্যাবরেটরি রোড ধানমন্ডিতে ৫ কাঠা জমি এবং পাঁচটি ফ্ল্যাট আছে। এগুলো পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন। এজন্য মূল্য দেওয়া হয়নি। এছাড়া পুরোনো পল্টনে ১ হাজার ২৫৮ দশমিক ৮৮৪ বর্গফুটের একটি স্পেস আছে যার দাম উল্
দল থেকে টিকিট না পেলেও ভোটে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামাও দাখিল করেছেন তিনি। দাখিল করা হলফনামায় দেখা যায়, রুমিন ফারহানার নামে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ৫ কাঠা জমি ও ৫টি ফ্ল্যাট আছে। এছাড়া তার হাতে রয়েছে নগদ ৩২ লাখ টাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকারের হাতে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে ভোটে লড়বেন। ২৪ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন সাবেক যুবদল নেতা মো. আলী হোসেন। আসনটি জোটের জন্য ছেড়ে দিয়ে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
দাখিল করা হলফনামায় দেখা গেছে, রুমিন ফারহানার নামে ল্যাবরেটরি রোড ধানমন্ডিতে ৫ কাঠা জমি এবং পাঁচটি ফ্ল্যাট আছে। এগুলো পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন। এজন্য মূল্য দেওয়া হয়নি। এছাড়া পুরোনো পল্টনে ১ হাজার ২৫৮ দশমিক ৮৮৪ বর্গফুটের একটি স্পেস আছে যার দাম উল্লেখ করা হয়েছে ৬৫ লাখ টাকা। বর্তমানে পেশা হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট উল্লেখ করেছেন। তার হাতে নগদ আছে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকা। হাতে কোনো বিদেশি মুদ্রা নেই। পাশাপাশি ব্যাংকে জমাকৃত কোনো টাকা নেই। বন্ড, ঋণপত্রে স্টক এক্সচেঞ্জে কোনো বিনিয়োগ নেই। নিজের নামে কোনো যানবাহন নেই। তবে হাতে ১০ ভরি স্বর্ণ অংলকার আছে। তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণ ৯৭ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকা। রুমিন ফারহানার নামে চারটি ফৌজদারি মামলা ছিল সবগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে।
এমওএস/এমআইএইচএস/জেআইএম
What's Your Reaction?