ধানের শীষ প্রতীক থাকছে না যে ১০ আসনে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে কুমিল্লার দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে কুমিল্লা-৪ ও কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী থাকছে না। এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর করা ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৭ জানুয়ারি এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করলে ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি আপিল বিভাগে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন। অন্যদিকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। গত ২২ জানুয়ারি সেই রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এরপর হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গফুর ভূঁইয়া লিভ টু আপিল করেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আর কোনো সুযোগ নেই। এদিকে মিত্র দলগুলোকে ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে ব

ধানের শীষ প্রতীক থাকছে না যে ১০ আসনে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে কুমিল্লার দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে কুমিল্লা-৪ ও কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী থাকছে না।

এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর করা ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৭ জানুয়ারি এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করলে ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি আপিল বিভাগে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন।

অন্যদিকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। গত ২২ জানুয়ারি সেই রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এরপর হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গফুর ভূঁইয়া লিভ টু আপিল করেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আর কোনো সুযোগ নেই।

এদিকে মিত্র দলগুলোকে ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পেয়েছে ৪টি আসন। এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণ অধিকার পরিষদ পেয়েছে একটি করে আসন। এসব দলের প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

এরমধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ‘খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে সিলেট-৫ আসনে নির্বাচন করছেন দলটির সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচন করছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমী।

অন্যদিকে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে নির্বাচন করছেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক নিজ দলের প্রতীক ‘কোদাল’, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ‘ট্রাক’ এবং ভোলা-১ আসনে বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ নির্বাচন করছেন ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে।

এ হিসাবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ১০টি আসনে ধানের শীষ প্রতীক থাকছে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow