ধূমপানের বিরুদ্ধে আইন আছে, প্রয়োগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ধূমপান নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না।  তিনি বলেন, ধূমপান থেকেই ধীরে ধীরে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তাই মাদক প্রতিরোধে ধূমপান নিয়ন্ত্রণের আইন কার্যকর করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. জাহিদ বলেন, প্রকাশ্যে ধূমপানের ক্ষেত্রে জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই আইন কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটি দেখার বিষয়। মোটরসাইকেল চালানোর সময় অনেককে ধূমপান করতে দেখা যায়। আবার রাস্তার পাশে দোকানের সামনে দাঁড়িয়েও অনেকে প্রকাশ্যে ধূমপান করেন। আইন অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ধূমপানের জন্য ৫০, ১০০ কিংবা ২০০ টাকা জরিমানা করা হলেও এর সামাজিক প্রভাব রয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হবে যে, প্রকাশ্যে ধূমপান একটি অপরাধ। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষকে ধূমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। মাদক প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর

ধূমপানের বিরুদ্ধে আইন আছে, প্রয়োগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ধূমপান নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। 

তিনি বলেন, ধূমপান থেকেই ধীরে ধীরে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তাই মাদক প্রতিরোধে ধূমপান নিয়ন্ত্রণের আইন কার্যকর করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. জাহিদ বলেন, প্রকাশ্যে ধূমপানের ক্ষেত্রে জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই আইন কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটি দেখার বিষয়। মোটরসাইকেল চালানোর সময় অনেককে ধূমপান করতে দেখা যায়। আবার রাস্তার পাশে দোকানের সামনে দাঁড়িয়েও অনেকে প্রকাশ্যে ধূমপান করেন। আইন অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না।

তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ধূমপানের জন্য ৫০, ১০০ কিংবা ২০০ টাকা জরিমানা করা হলেও এর সামাজিক প্রভাব রয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হবে যে, প্রকাশ্যে ধূমপান একটি অপরাধ। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষকে ধূমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

মাদক প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়ে মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এসব কমিটিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা গেলে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বাল্যবিয়ে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো ৫১ শতাংশ বাল্যবিবাহের প্রবণতা রয়েছে। বাল্যবিয়ে রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, তরুণ-তরুণীদের ২০ বছর বয়সের আগে সন্তান না নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এতে মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে এবং শিশুরও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে।

জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হকসহ জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow