নওগাঁয় মিতু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৪
নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামক এক ব্যক্তি সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায় যে, তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে একটি মরদেহ রয়েছে। পরদিন সকালে পুলিশ সেখান থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তির সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি শহরের বাসিন্দা মিতু বানু। পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে—আসামি সামিদুল ও জাহান ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে মিতু বানুকে শহর থেকে বিল ভবানীপুর গ্রামে নিয়ে যায়। ওই গ্রামের মালা নামক এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়িতে জাহান, রেন্টু, সুজ্জাত ও সামিদুলসহ কয়েক
নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামক এক ব্যক্তি সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায় যে, তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে একটি মরদেহ রয়েছে। পরদিন সকালে পুলিশ সেখান থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তির সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি শহরের বাসিন্দা মিতু বানু।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে—আসামি সামিদুল ও জাহান ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে মিতু বানুকে শহর থেকে বিল ভবানীপুর গ্রামে নিয়ে যায়। ওই গ্রামের মালা নামক এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়িতে জাহান, রেন্টু, সুজ্জাত ও সামিদুলসহ কয়েকজন অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে টাকা লেনদেন নিয়ে মিতুর সঙ্গে তাদের ঝগড়া শুরু হলে মিতু চিৎকার করেন।
এ সময় নিজেদের সম্মান বাঁচাতে এবং জানাজানি হওয়ার ভয়ে ঘাতক রেন্টু মিতুর মুখ ও গলা চেপে ধরে এবং বাকিরা হাত-পা চেপে ধরে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর রেন্টুর পরামর্শেই মরদেহটি গুম করার উদ্দেশ্যে পাশের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর মডেল থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের আইটি টিম কাজ শুরু করে। গত ৭ মার্চ মূল হোতা জাহান আলীকে গ্রেফতার করা হলে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ মার্চ সামিদুল ও সুজ্জাত এবং মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রেন্টু ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার চার্জশিট দ্রুত প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
আরমান হোসেন রুমন/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?