নকলের সহায়তায় ২ শিক্ষক অব্যাহতি, এক ছাত্রী বহিষ্কার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার হলে নকলে সহযোগিতার অভিযোগে দুই শিক্ষককে এক বছরের জন্য পরীক্ষার দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় নকলের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ১০৩ নম্বর কক্ষে কোরআন মাজিদ বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসা শিক্ষার্থী বুসরা আক্তার পরীক্ষা চলাকালে নকল করার সময় দায়িত্বে থাকা দুই শিক্ষক তাকে সহযোগিতা করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম। নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা পুরকুইল গাউছিয়া হাবিবিয়া ফাযিল মাদরাসার শিক্ষক নুরুল হুদা এবং আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষক আল আমিনকে এক বছরের জন্য সব পাবলিক পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেন। একইসঙ্গে নকলের দায়ে পরীক্ষার্থী বুসরা আক্তারকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পাবলিক পর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার হলে নকলে সহযোগিতার অভিযোগে দুই শিক্ষককে এক বছরের জন্য পরীক্ষার দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় নকলের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ১০৩ নম্বর কক্ষে কোরআন মাজিদ বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসা শিক্ষার্থী বুসরা আক্তার পরীক্ষা চলাকালে নকল করার সময় দায়িত্বে থাকা দুই শিক্ষক তাকে সহযোগিতা করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম।
নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা পুরকুইল গাউছিয়া হাবিবিয়া ফাযিল মাদরাসার শিক্ষক নুরুল হুদা এবং আড়াইবাড়ি ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষক আল আমিনকে এক বছরের জন্য সব পাবলিক পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেন। একইসঙ্গে নকলের দায়ে পরীক্ষার্থী বুসরা আক্তারকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?