নড়াইলে মিনি কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ঈদে চাচির সঙ্গে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচরে মধুমতি নদীতে জেগে ওঠা বালুচরে (স্থানীয়ভাবে পরিচিত "মিনি কক্সবাজার") ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর তাসমিয়া (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর গ্রামের মধুমতি নদী থেকে বড়দিয়া নৌ-পুলিশ শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত তাসমিয়া যশোরের সাতমাইল বাজার এলাকার শাহাবাজপুর গ্রামের জিন্নাহর মেয়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়।নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে গত ২৬ মার্চ তাসমিয়া তার চাচি রেশমার বাবার বাড়ি (নানাবাড়ি) লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলহাটা গ্রামে বেড়াতে আসে। ওই দিন চাচি রেশমা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সে পাংখারচরে মধুমতি নদীতে জেগে ওঠা বালুচরে, যা স্থানীয়ভাবে "মিনি কক্সবাজার" নামে পরিচিত, সে এলাকায় ঘুরতে যায়। একপর্যায়ে পরিবারের অগোচরে নদীতে নিখোঁজ হয় তাসমিয়া। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালালেও তাসমিয়াকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হ

নড়াইলে মিনি কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ঈদে চাচির সঙ্গে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচরে মধুমতি নদীতে জেগে ওঠা বালুচরে (স্থানীয়ভাবে পরিচিত "মিনি কক্সবাজার") ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর তাসমিয়া (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর গ্রামের মধুমতি নদী থেকে বড়দিয়া নৌ-পুলিশ শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত তাসমিয়া যশোরের সাতমাইল বাজার এলাকার শাহাবাজপুর গ্রামের জিন্নাহর মেয়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে গত ২৬ মার্চ তাসমিয়া তার চাচি রেশমার বাবার বাড়ি (নানাবাড়ি) লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলহাটা গ্রামে বেড়াতে আসে। ওই দিন চাচি রেশমা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সে পাংখারচরে মধুমতি নদীতে জেগে ওঠা বালুচরে, যা স্থানীয়ভাবে "মিনি কক্সবাজার" নামে পরিচিত, সে এলাকায় ঘুরতে যায়। একপর্যায়ে পরিবারের অগোচরে নদীতে নিখোঁজ হয় তাসমিয়া। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালালেও তাসমিয়াকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।

নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে ডিগ্রিরচর এলাকার কালা চৌকিদারের বাড়ির সামনে নদীতে তাসমিয়ার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহাগুজ্জামান বলেন, "গত বৃহস্পতিবার মধুমতি নদীতে একটি মেয়ে নিখোঁজের সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তবে মেয়েটি নিখোঁজের সঠিক তথ্য না দেওয়ার কারণে খুলনা থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে আসেনি। আমরা স্থানীয়দের নিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাইনি।"

বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই এনায়েত হোসেন বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow