নতুন ইরান চুক্তি জেসিপিওএর চেয়ে বেশি ভালো হবে না : ওবামা

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে নতুন চুক্তির আলোচনা চলছে, তা ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির (জেসিপিওএ) তুলনায় মৌলিকভাবে খুব বেশি ভিন্ন বা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা কম। খবর শাফাক নিউজের। এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর পথ। তিনি মনে করেন, যে কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে যুদ্ধের পথে যাওয়ার আগে কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার বেশিরভাগ সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। ওবামা বলেন, আন্তর্জাতিক জটিল সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে সামরিক সমাধানের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা থেকে বিশ্বকে বেরিয়ে আসতে হবে। এদিকে তাজিকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রবার্ট কিকুতা বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার অনেক কিছুই জনসমক্ষে আসে না। দুই পক্ষই আলোচনাকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য সবসময় পুরো কূটনৈতিক চিত্র তুলে ধরে না। তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তির দুটি প্রধান বিষয় হলো ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

নতুন ইরান চুক্তি জেসিপিওএর চেয়ে বেশি ভালো হবে না : ওবামা

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে নতুন চুক্তির আলোচনা চলছে, তা ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির (জেসিপিওএ) তুলনায় মৌলিকভাবে খুব বেশি ভিন্ন বা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা কম। খবর শাফাক নিউজের।

এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর পথ। তিনি মনে করেন, যে কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে যুদ্ধের পথে যাওয়ার আগে কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার বেশিরভাগ সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।

ওবামা বলেন, আন্তর্জাতিক জটিল সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে সামরিক সমাধানের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা থেকে বিশ্বকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এদিকে তাজিকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রবার্ট কিকুতা বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার অনেক কিছুই জনসমক্ষে আসে না। দুই পক্ষই আলোচনাকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য সবসময় পুরো কূটনৈতিক চিত্র তুলে ধরে না।

তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তির দুটি প্রধান বিষয় হলো ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতার দিকে অগ্রগতি হচ্ছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow