নতুন ২টি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, থাকছে সরকারি ছুটি
সরকার ৬ জুলাইকে ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বরকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হলেও এদিন কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না। তবে ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালিত হবে এবং এদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বৈঠকে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার বিদ্যুতের মাধ্যমে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী ম
সরকার ৬ জুলাইকে ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বরকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হলেও এদিন কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না। তবে ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালিত হবে এবং এদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বৈঠকে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার বিদ্যুতের মাধ্যমে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম-সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?