নদীর পাশে মিলল অটোভ্যান চালকের মরদেহ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীর পাশ থেকে এক অটোভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে সলঙ্গা থানার কালিকাপুর এলাকার নদীর পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম- জাহের আলী আকন্দ (৬৫)। তিনি সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত ইনসাফ আলী আকন্দের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলজোড় নদীর কালিকাপুর এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
নিহতের ছেলে বাবু জানান, সোমবার সন্ধ্যায় আমার বাবা অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, পড়ে থাকা লাশটি আমার বাবার।
সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম উদ্দিন বলেন, নিহত ব্যক্তি পেশায় অটোভ্যান চালক ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীর পাশ থেকে এক অটোভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে সলঙ্গা থানার কালিকাপুর এলাকার নদীর পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম- জাহের আলী আকন্দ (৬৫)। তিনি সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত ইনসাফ আলী আকন্দের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলজোড় নদীর কালিকাপুর এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
নিহতের ছেলে বাবু জানান, সোমবার সন্ধ্যায় আমার বাবা অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, পড়ে থাকা লাশটি আমার বাবার।
সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম উদ্দিন বলেন, নিহত ব্যক্তি পেশায় অটোভ্যান চালক ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।