নন্দীগ্রামে লাইসেন্সবিহীন দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

বগুড়ার নন্দীগ্রামে লাইসেন্সবিহীন খাদ্যশস্য ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় রণবাঘা বাজারের মেসার্স মা বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার কামরুল হাসান (৩৭) কে ২০ হাজার টাকা ও মা বাবার দোয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মালেক (৩৯) কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যশস্যের উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণনের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। খাদ্যশস্য ব্যবসার জন্য যথাযথ লাইসেন্স গ্রহণ না করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইনে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খাদ্য পরিদর্শক আবু মুসা সরকার। নন্দীগ্র

নন্দীগ্রামে লাইসেন্সবিহীন দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

বগুড়ার নন্দীগ্রামে লাইসেন্সবিহীন খাদ্যশস্য ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় রণবাঘা বাজারের মেসার্স মা বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার কামরুল হাসান (৩৭) কে ২০ হাজার টাকা ও মা বাবার দোয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মালেক (৩৯) কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যশস্যের উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণনের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। খাদ্যশস্য ব্যবসার জন্য যথাযথ লাইসেন্স গ্রহণ না করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইনে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খাদ্য পরিদর্শক আবু মুসা সরকার। নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, খাদ্যশস্যের অবৈধ ব্যবসা ও অনিয়ম রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ব্যবসায়ীদের আইন অনুযায়ী লাইসেন্স গ্রহণ করে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow