নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে জকসুসহ সাংবাদিকদের মতবিনিময়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সঙ্গে জবির কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সমর্থন তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।’ শিক্ষার্থীদের সমস্যা অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, সেশনজট নিরসনে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন চলতি সপ্তাহেই পাওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মতাদর্শের সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সময়ানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর

নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে জকসুসহ সাংবাদিকদের মতবিনিময়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সঙ্গে জবির কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সমর্থন তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।’

শিক্ষার্থীদের সমস্যা অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, সেশনজট নিরসনে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন চলতি সপ্তাহেই পাওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মতাদর্শের সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সময়ানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর দিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।

এ সময় উপাচার্য সম্পূরক বৃত্তি চালু, আবাসন সমস্যা সমাধান, ক্যান্টিনে খাবারের দাম কমানো এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্য থেকে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য গর্বের। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সভাটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সমস্যা সমাধানে এ ধরনের মতবিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিদায়ী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক নতুন প্রশাসনকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। নবনিযুক্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভায় জকসু নেতারা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিক ও রিপোর্টাররাও অংশ নেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা নবনিযুক্ত উপাচার্যকে অভিনন্দন জানিয়ে সম্পূরক বৃত্তির দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ এগিয়ে নেওয়া, ক্যান্টিনের খাবারের মানোন্নয়ন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার দাবি জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

টিএইচকিউ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow