নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আটকে থাকার নেপথ্যে দুই কারণ
দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট প্রকট। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ের নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রমই আটকে রয়েছে। প্রবেশপর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে অনুসরণীয় পদ্ধতির পরিপত্র জারি না হওয়া এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সূত্র। এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের রুটিন দায়িত্ব পাওয়া অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) আলিফ রুদাবা সংস্থাটির সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা এবং আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছেন। এ কারণে নবম শিক্ষক নিয়োগের অনুসরণীয় পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে এখনো কোনো সভা হয়নি। আরও পড়ুন নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে, শূন্যপদ সাড়ে ৬৯ হাজার এদিকে, নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অনুমতি চেয়ে এনটিআরসিএ যে চিঠি পাঠিয়েছিল, সেটি ফেরত পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগের প্রস্তাবের সঙ্গে আরও কিছু তথ্য যুক্ত করে নতুন করে পাঠাতে বলা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব পাওয়ার পর পরিপত্র জারি এবং বিজ্ঞপ্তি
দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট প্রকট। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ের নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রমই আটকে রয়েছে।
প্রবেশপর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে অনুসরণীয় পদ্ধতির পরিপত্র জারি না হওয়া এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সূত্র।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের রুটিন দায়িত্ব পাওয়া অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) আলিফ রুদাবা সংস্থাটির সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা এবং আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছেন। এ কারণে নবম শিক্ষক নিয়োগের অনুসরণীয় পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে এখনো কোনো সভা হয়নি।
এদিকে, নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অনুমতি চেয়ে এনটিআরসিএ যে চিঠি পাঠিয়েছিল, সেটি ফেরত পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগের প্রস্তাবের সঙ্গে আরও কিছু তথ্য যুক্ত করে নতুন করে পাঠাতে বলা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব পাওয়ার পর পরিপত্র জারি এবং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নতুন চেয়ারম্যান এনটিআরসিএর কার্যক্রম ও জটিল বিষয়গুলো বুঝে নিতে সময় নিচ্ছেন। বিষয়গুলো পর্যালোচনা শেষে শিক্ষক নিয়োগের অনুসরণীয় পদ্ধতি নিয়ে সভা হবে। এরপর নবম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের সংশোধিত অনুসরণীয় পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে গত ১৬ জুলাই সভা ডাকা হয়েছিল। তবে সভার একদিন আগে তা স্থগিত করা হয়।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে সারা দেশে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্য পদের তথ্য চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য ৬ হাজার পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
ফলে নবম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৬৯ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পরিপত্র জারি ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না মেলায় বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
এএএইচ/এমএমকে
What's Your Reaction?

