নবাগত শিক্ষার্থীদের আবাসিক সিট দ্রুত নিশ্চিতের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য অবিলম্বে আবাসিক সিট বরাদ্দ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বরাবর ২ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।
এতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস গত ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রতি বছরই আবাসিক হলে নবাগত শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দে অযৌক্তিক বিলম্ব লক্ষ্য করা যায়। যা একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এই বিলম্বকে কেন্দ্র করে অতীতে ‘গণরুম’ ও ‘গেস্টরুম’ নামক অমানবিক ও বৈষম্যমূলক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। যা শিক্ষার্থীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনের পরিপন্থি।
ছাত্রদল নেতারা উল্লেখ করেন, একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে হলে আবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অথচ, বাস্তবতায় দেখা যায়, সিট বরাদ্দে দীর্ঘসূত্রতা নবাগত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত কর
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য অবিলম্বে আবাসিক সিট বরাদ্দ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বরাবর ২ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।
এতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস গত ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রতি বছরই আবাসিক হলে নবাগত শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দে অযৌক্তিক বিলম্ব লক্ষ্য করা যায়। যা একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এই বিলম্বকে কেন্দ্র করে অতীতে ‘গণরুম’ ও ‘গেস্টরুম’ নামক অমানবিক ও বৈষম্যমূলক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। যা শিক্ষার্থীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনের পরিপন্থি।
ছাত্রদল নেতারা উল্লেখ করেন, একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে হলে আবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অথচ, বাস্তবতায় দেখা যায়, সিট বরাদ্দে দীর্ঘসূত্রতা নবাগত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে এবং বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করে। অনেকেই বাধ্য হয়ে অনিরাপদ পরিবেশে বা অতিরিক্ত খরচ বহন করে হলের বাইরে অবস্থান করতে গিয়ে শিক্ষাজীবনের শুরুতেই বৈষম্যের শিকার হন। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
স্মারকলিপি আরও বলা হয়, আবাসন কোনো দয়া নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব।
এ প্রেক্ষিতে ২ দফা দাবি তুলে বলা হয়, নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত আবাসিক সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং সিট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সমতা বজায় রাখা।