নবীনগরে অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি, জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি এবং সিলিন্ডারে পানি পাওয়ার অভিযোগে ‘মাহদী এন্টারপ্রাইজ’ নামে এক ডিলার প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে নবীনগর পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামে ওই প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ বিন মনসুর।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও মাহদী এন্টার প্রাইজের মালিক বাছির মিয়া প্রতিটি সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা করে বিক্রি করছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় প্রশাসন। অভিযান চলাকালে একটি গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে গ্যাসের পরিবর্তে পানি পাওয়া গেলে সেটি জব্দ করা হয়। পরে নগদ জরিমানা পরিশোধ করে জেল থেকে রক্ষা পান ডিলার বাছির মিয়া।
সিলিন্ডারে পানি থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বাছির মিয়া দাবি করেন, গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে হয়তো কোনো অসাধু খুচরা ব্যবসা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি এবং সিলিন্ডারে পানি পাওয়ার অভিযোগে ‘মাহদী এন্টারপ্রাইজ’ নামে এক ডিলার প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে নবীনগর পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামে ওই প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ বিন মনসুর।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও মাহদী এন্টার প্রাইজের মালিক বাছির মিয়া প্রতিটি সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা করে বিক্রি করছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় প্রশাসন। অভিযান চলাকালে একটি গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে গ্যাসের পরিবর্তে পানি পাওয়া গেলে সেটি জব্দ করা হয়। পরে নগদ জরিমানা পরিশোধ করে জেল থেকে রক্ষা পান ডিলার বাছির মিয়া।
সিলিন্ডারে পানি থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বাছির মিয়া দাবি করেন, গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে হয়তো কোনো অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী এমনটা করতে পারে। এই বোতলটি আমরা গ্রাহকের মাধ্যমে পেয়েছি।
অতিরিক্ত দামের বিষয়ে তিনি জানান, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।
অভিযান শেষে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর বলেন, ভোক্তা অধিকার রক্ষা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমাদের এই তৎপরতা। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।