না ফেরার দেশে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

ব্রাজিল ফুটবলের সোনালি প্রজন্মের অন্যতম সদস্য ও ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের রক্ষণভাগের স্তম্ভ ব্রিতো মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) কিংবদন্তি এই সেন্টার ব্যাকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ব্রাজিলের জার্সিতে দীর্ঘ সময় ধরে নির্ভরতার প্রতীক ছিলেন ব্রিতো। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৬১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন তিনি। এছাড়া ১৯৬৬ ও ১৯৭০— দুই বিশ্বকাপেই ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেন এই ডিফেন্ডার। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের রক্ষণভাগে উইলসন পিয়াজার সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন দুর্ভেদ্য এক জুটি। সেই দলটিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্রাজিল দল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আক্রমণে মনোমুগ্ধকর ফুটবলের পাশাপাশি রক্ষণেও ছিল অসাধারণ দৃঢ়তা, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ব্রিতোর। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিবিএফ সভাপতি সামির জাউদ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেলেন। ১৯৭০ সালের বিশ্বকা

না ফেরার দেশে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার
ব্রাজিল ফুটবলের সোনালি প্রজন্মের অন্যতম সদস্য ও ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের রক্ষণভাগের স্তম্ভ ব্রিতো মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) কিংবদন্তি এই সেন্টার ব্যাকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ব্রাজিলের জার্সিতে দীর্ঘ সময় ধরে নির্ভরতার প্রতীক ছিলেন ব্রিতো। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৬১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন তিনি। এছাড়া ১৯৬৬ ও ১৯৭০— দুই বিশ্বকাপেই ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেন এই ডিফেন্ডার। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের রক্ষণভাগে উইলসন পিয়াজার সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন দুর্ভেদ্য এক জুটি। সেই দলটিকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্রাজিল দল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আক্রমণে মনোমুগ্ধকর ফুটবলের পাশাপাশি রক্ষণেও ছিল অসাধারণ দৃঢ়তা, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ব্রিতোর। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিবিএফ সভাপতি সামির জাউদ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেলেন। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ বিশ্বকাপ জয়ের বাইরে জাতীয় দলের হয়ে আরও বেশ কয়েকটি সাফল্যের অংশ ছিলেন ব্রিতো। ১৯৭১ সালে কোপা রোকা এবং ১৯৭২ সালে তাসা ইন্ডিপেনদেন্সিয়া শিরোপাও জিতেছিলেন তিনি। সামির জাউদ আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের এই মহান তারকাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। তার লড়াকু মানসিকতা ও নিবেদন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের নাম ব্রিতো। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবল হারাল আরেক বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তিকে, যার অবদান স্মরণে রাখবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow