নাকের নিচে আঁচড়ের দাগ দেখে হত্যাকারীকে শনাক্ত করে র‌্যাব

ফেনীর ফুলগাজীর আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া ঘরের চালের টিন কেটে, হাত-পা বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার (২৯ জুন) সকালে ফেনী র‌্যাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৭ ক্যাম্পের কমান্ডার মিজানুর রহমান। ঘাতকের নাম আরিফুর রহমান। তিনি ওই এলাকার মো. রসুল মিয়ার ছেলে ও পেশায় সিএনজিচালক। ঘাতক আরিফ হত্যাকাণ্ডের শিকার প্রবাসী স্ত্রীর দুঃসম্পর্কের ভাগনে হন। নিহত কাজল আক্তার (৩০) ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত আরিফের বিরুদ্ধে আগে কোনো মামলা ছিল না। পেশায় একজন সিএনজিচালক। তবে মাঝেমধ্যে মাদককারবার করতেন। তিনি স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। সেখানে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করতে হতো তাকে।  তিনি আরও বলেন, ঋণের টাকা পরিশোধ করতে দুঃসম্পর্কের কুয়েত প্রবাসী মামার বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন আরিফ। ঘরের চালের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করলে মামি কুলসুমা আক্তার কাজল বুঝতে পারেন। এ সময়  দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্ত

নাকের নিচে আঁচড়ের দাগ দেখে হত্যাকারীকে শনাক্ত করে র‌্যাব
ফেনীর ফুলগাজীর আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া ঘরের চালের টিন কেটে, হাত-পা বেঁধে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার (২৯ জুন) সকালে ফেনী র‌্যাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৭ ক্যাম্পের কমান্ডার মিজানুর রহমান। ঘাতকের নাম আরিফুর রহমান। তিনি ওই এলাকার মো. রসুল মিয়ার ছেলে ও পেশায় সিএনজিচালক। ঘাতক আরিফ হত্যাকাণ্ডের শিকার প্রবাসী স্ত্রীর দুঃসম্পর্কের ভাগনে হন। নিহত কাজল আক্তার (৩০) ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত আরিফের বিরুদ্ধে আগে কোনো মামলা ছিল না। পেশায় একজন সিএনজিচালক। তবে মাঝেমধ্যে মাদককারবার করতেন। তিনি স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। সেখানে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করতে হতো তাকে।  তিনি আরও বলেন, ঋণের টাকা পরিশোধ করতে দুঃসম্পর্কের কুয়েত প্রবাসী মামার বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন আরিফ। ঘরের চালের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করলে মামি কুলসুমা আক্তার কাজল বুঝতে পারেন। এ সময়  দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর লোকজন ফজরের নামাজ পড়তে বের হলে কুলসুমা আক্তার কাজলের গোঙানির শব্দ শুনে বাড়িতে ঢুকলে আরিফ ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, চাঞ্চল্যকর প্রবাসী স্ত্রী হত্যাকাণ্ডের পর র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ছায়া তদন্তে কাজ শুরু করে। রোববার রাত ১১টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে আরিফের নাকের নিচে ও হাতে আঁচড় দেখে তাকে সন্দেহ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে স্বীকার করেন তিনি। মিজানুর রহমান বলেন, অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ফুলগাজী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে গত ২৭ জুন (শনিবার) সকালে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে কাজল আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow