নাগরপুর-চৌহালী সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সদর বাজারে প্রবেশের প্রধান সড়ক নাগরপুর-চৌহালী রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত থাকায় সদর বাজারে প্রবেশকারী হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন এই সড়কে ছোট-বড় যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে।বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলেই নাগরপুর সোনালী ব্যাংক সড়ক থেকে চৌহালী সড়কের দুয়াজানী দেলু মিয়ার ব্রিজ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে সড়কের নাজুক অবস্থা আরও খারাপ হয়। দেখে মনে হয় এটি সড়ক নয় যেন সরু খাল।সরেজমিনে জানা গেছে, নাগরপুর উপজেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার চারটি সড়কের মধ্যে নাগরপুর-শাহজানী ভায়া চৌহালী সড়কটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কে ব্যাংক, বীমা, এনজিও এবং পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় থাকায় এই সড়কটিতে অন্যান্য সড়কের চেয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল অনেক বেশি। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়ক সংস্কার না করা এবং অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সদর বাজারের ব্যবসায়ী নুরুল আলম সেতু আক্ষেপ করে বলেন, "সোনালী ব্যাংক রোডে সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে বেহাল অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন

নাগরপুর-চৌহালী সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সদর বাজারে প্রবেশের প্রধান সড়ক নাগরপুর-চৌহালী রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত থাকায় সদর বাজারে প্রবেশকারী হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন এই সড়কে ছোট-বড় যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে।

বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলেই নাগরপুর সোনালী ব্যাংক সড়ক থেকে চৌহালী সড়কের দুয়াজানী দেলু মিয়ার ব্রিজ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে সড়কের নাজুক অবস্থা আরও খারাপ হয়। দেখে মনে হয় এটি সড়ক নয় যেন সরু খাল।

সরেজমিনে জানা গেছে, নাগরপুর উপজেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার চারটি সড়কের মধ্যে নাগরপুর-শাহজানী ভায়া চৌহালী সড়কটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কে ব্যাংক, বীমা, এনজিও এবং পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় থাকায় এই সড়কটিতে অন্যান্য সড়কের চেয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল অনেক বেশি। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়ক সংস্কার না করা এবং অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সদর বাজারের ব্যবসায়ী নুরুল আলম সেতু আক্ষেপ করে বলেন, "সোনালী ব্যাংক রোডে সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে বেহাল অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কটি গলার কাঁটা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে উদাসীন। ভাব দেখে মনে হয় এদের যেন কিছুই করার নেই।"

একটু বৃষ্টি হলেই দেখা যায়, নাগরপুর-শাহজানী ভায়া চৌহালী সড়কের দেলু মিয়ার ব্রিজ হয়ে সোনালী ব্যাংক পর্যন্ত সড়কের অবস্থা একেবারেই নাজুক। সড়কে প্রতিদিন বাস, ট্রাক্টর, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। রিকশা চালক নিরঞ্জনসহ অনেকেই জানান, "চৌহালী নাগরপুর রাস্তায় দেলু মিয়ার ব্রিজ থেকে সদর বাজারে প্রবেশপথ বটতলা হয়ে তালতলা পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় বেশি লেগে যায়। অনেক সময় রাস্তার কাদা পানি ছিটকে পথচারীদের কাপড় নষ্ট হয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন অনেকে।"

নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী ইফতেখার সারোয়ার ধ্রুব'র সাথে সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, "নাগরপুর-চৌহালী সড়কের কাজ দুইটি প্যাকেজে শুরু হয়েছে। বালি ও মাটি না থাকায় কাজ সাময়িক বন্ধ ছিল। আর যেসব রাস্তা নিচু ঢাল রয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে ওইসব রাস্তা ঢালাই করে কাজ সম্পন্ন করা হবে।"

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow